উপন্যাস

কাফকা অন দ্য শোর PDF Download হারুকি মুরাকমি

‘কাফকা অন দ্য শোর’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন’ হারুকি মুরাকমি। বর্তমান বিশ্বে হারুকি মুরাকামির নাম শুনে নাই এমন কারও দেখা মেলা ভার। সাহিত্য জগতে এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন এই লেখক। বাস্তবতার সাথে পরাবাস্তবতার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এমন কিছু অসাধারণ উপন্যাস রচনা করেছেন যা তাকে অমর করে রাখবে।

প্রথম উপন্যাস প্রকাশের পর থেকেই মুরাকামির খ্যাতি জাপান বাদেও সমগ্র পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণবন্ত উপস্থাপনার ধরণ, পরিমানমাফিক বর্ণনা ও চরিত্রগুলোর প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব প্রদান তার উপন্যাসগুলোকে নিয়ে গেছে শিল্পের পর্যায়ে। বিষাদময়তা লেখকের লেখার অন্যতম মূল বৈশিষ্ট্য।

মুরাকামিরব্লেখা পড়লে যে কেউ একদুই দিনের জন্য বিষন্নতায় ভুগতে বাধ্য। ‘কাফকা অন দ্য শোর’ লেখকের বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ২০০২ সালে জাপানিজ ভাষায়। পরে ২০০৫ সালে বইটি অনূদিত হয় ইংরেজি ভাষায় এবং যথাক্রমে পৃথিবীর আরও অনেক ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে।

বাংলা ভাষায় ও বইটি অনূদিত হয়েছে। আমাদের দেশে বইটির প্রকাশক হলো ‘প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা’ এবং অনুবাদ করেছেন ‘সালমান হক’। উপন্যাসের মূল পটভূমি গড়ে উঠেছে কাফকা তামুরা নামক ১৫ বছর বয়সী একজন বালককে কেন্দ্র করে। সে তার বাসা ছেড়ে পালায় যেটা টোকিয়োতে অবস্থিত ছিল।

কাফকার বাবা ভাস্কর্য তৈরি করতো। বিড়াল হত্যা করে তাদের আত্মা দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি করাই ছিল কাফকার বাবার পেশা। কাফকার বাসা ছেড়ে পালাভার অন্যতম কারণ ছিলো সে তার মা ও বোনকে খুঁজে বেএ করতে চায়। তার মা ও বোনের কোন খোঁজই সে জানে না কোথায় তারা নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে।

আর এসব পরাবাস্তবতার মধ্য দিয়েই কাহিনী সামনের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। এর মধ্যে দিয়ে কাফকা তার এই পালানোর যাত্রা বেশ কয়েকজনের সাথে পরিচিত হয়। বাসা থেকে পালানোর পরই কাফকার প্রথম পরিচয় হয় সাকুরার সাথে বাসের মধ্যে। তারপর তারা একত্রে তাকামাটসু পর্যন্ত যাত্রা করে এবং যাত্রার শেষে দুজন দুজনের ফোন নাম্বার আদান প্রদান করে।

এরপর কাফকা কী করা যায় ভেবে না পেয়ে কমুরা মেমোরিয়াল লাইব্রেরিতে গেলে সেখানে তার দেখা হয় ওশিমার সাথে এবং মিস সায়েকির সাথে। মিস সায়েকিকে দেখার পর থেকেই কাফকার মনে হতে থাকে সায়েকিই তার আসল মা। এরই মাঝে ওশিমার সাথে কাফকার বন্ধুত্ব হয়ে যায়।

মিস সায়েকি কাফকার জন্য একটি চাকরি ও থাকার জায়গার ব্যবস্থা করে দেন। এরপর থেকেই উপন্যাসটির মোড় ঘুড়তে থাকে পাতায় পাতায়। এমন এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে শুরু করে যার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই, কিন্তু মুরাকামি পড়ার সময় বাস্তবতার কথা মেনে চললে হয় না।

লেখক যেভাবে যা ব্যাখ্যা করেছেন তা পড়তে পড়তে সামনে অগ্রসর হতে শুরু করলেই ধীরে ধীরে নতুন এক দুনিয়া আবিষ্কার করা যায়। বর্তমান সময়ের অসাধারণ একটি উপন্যাস, যা যে কোন পাঠককে মনোমুগ্ধ করতে পারে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.