উপন্যাস

পাপপিঞ্জর PDF Download আমের আহমেদ

বাংলাদেশের জনপ্রিয় একজন লেখক হল আমের আহমেদ। তার লেখা সবগুলো বই পাঠকদের কাছে অনেক পছন্দের। তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে পাঠকদের অনেক কাছাকাছি চলে গেছেন এবং মন ও জয় করে নিয়েছেন। বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। তিনি তার সবগুলো উপন্যাসের মাধ্যমে বাস্তব কিছু ধারনা কে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। তার বইগুলো পড়ে সবাই ভালো কাজে অনুপ্রাণিত হয়। ‌ তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে “পাপপিঞ্জর” অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

“পাপপিঞ্জর” আমের আহমেদ এর জনপ্রিয় একটি সমকালীন উপন্যাস। উপন্যাসটির প্লট সুপারন্যাচারাল এর মধ্যে পড়ে। বইটি প্রকাশ করেছে বাতিঘর প্রকাশনী। বইটির প্রচ্ছদ লিখেছেন ডিলান। বইটি হার্ডকভার এ ছাপা হয়েছে। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 456 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 376 টাকা। আপনারা যারা এই বইটির হার্ডকপি এখনো সংগ্রহ করতে পারেননি তারা আর দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং সেখান থেকে বিনামূল্যে ডাউনলোড দিয়ে পড়ে ফেলুন।

কাহিনী সংক্ষেপ

বইটি পড়তে গেলে আপনি ভাববেন এটা হয়তো কোনো ভূত কে নিয়ে লেখা। কিন্তু এখানে আসলে ভুতুড়ে পরিস্থিতি নিয়ে গল্পটি রচিত। এই বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো প্রতিশোধ পরায়নতা। একজন মানুষ প্রতিশোধের কারণেই কি কি করতে পারে সেটা এই গল্পটি পড়ে আমরা বুঝতে পারবো। পাপপিঞ্জর এই গল্পটিকে আমরা রোমাঞ্চকর ও সাইন্স ফিকশন বলতে পারি।

কে উপন্যাসের লেখক আমের আহমেদ গল্পটি অনেক গভীর চিন্তা থেকে লিখেছেন। প্রতিটা লাইনে লাইনে আপনি সিকোয়েন্স খুঁজে পাবেন। যেটা আপনাকে পুরো বইটা পড়তে সাহায্য করবে। মূলত এই বইটি পড়ে আমাদের অনেক ভ্রান্ত ধারণা ও পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমার এই বইটি পড়ে এমনই মনে হয়েছে। আমি সংক্ষেপে গল্পটা একটু তুলে ধরব। পুরোটা জানতে হলে বইটি পড়তে হবে।

অনির্বাণ নামের একজন সার্ভিস হোল্ডার একদিন অফিসে যাওয়ার সময় একটা সুপারন্যাচারাল ঘটনার শিকার হয়। সে যখন অফিসে যাচ্ছিল রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামে অনেকক্ষণ আটকে থাকে। সে অবস্থায় একটা ট্রাক কোথা থেকে যেন চলে আসে। সেভাবে এই জ্যামের মধ্যে কিভাবে একটা ট্রাক এখানে উপস্থিত হল? হঠাৎ করেই ট্রাকটি এসে অনির্বাণের গাড়িতে ধাক্কা দেয়।

ধাক্কা দেয়ার পরে অনির্বাণ গাড়ি থেকে নেমে পড়ে। নেমে আসার পর অনির্বাণ এক ভয়ংকর জিনিস দেখতে পায় ট্রাকটিতে। সে দেখতে পায় তিন চারদিন আগেই মরে যাওয়া এক লাশ সেই ট্রাক গাড়ি চালাচ্ছে। লাশের দেহটাও পঁচে গেছে। এই অবস্থাতেও লাশটি গাড়ি চালাচ্ছে এবং হাত-পা নাড়ছে। ডি এস আই ধারণা করে এই লোকটি এখনো শাস্তি ভোগ করছে। পরবর্তীতে অনির্বাণ কেউ নিয়োগ দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করে ডিএসআই প্রধান ডক্টর আবুল কাশেম তরফদার।

ডি এস আই একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থাটির কাজ হল আধিভৌতিক কাহিনী গুলোর কেস নিয়ে কাজ করা। ডি এস আই সংস্থাতে কয়েকজন দক্ষ লোক নিয়ে গঠিত হয়। শেষ পর্যন্ত ওই লাস্টে সম্পর্কে কি জানা যায়? সেই ঘটনার পিছনে কে রয়েছে? সবটুকু জানতে হলে বইটি অবশ্যই পড়তে হবে।

বইটির বিষয়বস্তু অনেক গভীর এবং বিশাল। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি বইটির এক পৃষ্ঠা পড়ার পর পাঠক কে আকৃষ্ট করে তুলবে আর এক পৃষ্ঠা পড়ার জন্য। উপন্যাসের চরিত্রগুলো বেশ ইন্টারেস্টিং। আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া সব ঘটনার পেছনে কিছু না কিছু কারণ থাকে, যা একজন মানুষকে নিয়তির দিকে টেনে নিয়ে যায়। এই গল্পে তেমনই এক দৃষ্টান্ত লক্ষ্য করা যাবে। তাই বলবো আর দেরি না করে বইটি পড়ে ফেলুন। এই উপন্যাসটি না পড়লে অনেক কিছুই অজানা থেকে যাবে। বই প্রেমীদের জন্য এটি এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.