উপন্যাস

আঁধারের জানালাটা খোলা PDF Download সুস্ময় সুমন

বাংলাদেশের সমসাময়িক যুগের লেখকদের মধ্যে সুস্ময় সুমন এক পরিচিত নাম। তাঁর লেখা অনেক উপন্যাস বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত। তেমনি এক উপন্যাস হলো “আঁধারের জানালাটা খোলা”। উপন্যাসের বিষয়বস্তু ও লেখকের উপস্থাপনা খুব সহজেই পাঠকদের মন জয় করে নিয়েছে। এই বইটি বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে বেশ পরিচিতি লাভ করেছেন।

“আঁধারের জানালাটা খোলা” এই বইটি সুস্ময় সুমনের একটি সমকালীন উপন্যাস। বইটির প্রথম প্রকাশিত হয় 2017 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। বইটি প্রকাশ করেছে বাতিঘর প্রকাশনী। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন সিরাজুল ইসলাম নিউটন। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 95 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য 77 টাকা। অসাধারণ এই বইটির হার্ডকপি যারা এখনো সংগ্রহ করতে পারেননি তারা খুব সহজেই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বইটি ডাউনলোড পড়ে নিতে পারবেন।

কাহিনী সংক্ষেপ

এই উপন্যাসটি একটি মার্ডার মিস্ট্রি নভেলা। এই বইটি ভাষা সহজ এবং রহস্যময়। যেটা পাঠককে আরো বেশি আকর্ষিত করে বইয়ের দিকে। এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো বেশ ইন্টারেস্টিং। এখানে লেখক মানুষের মনের এক ভয়ঙ্কর কালো দিক তুলে ধরেছেন। এবার আমি গল্পের সামান্য কিছু অংশ এখানে তুলে ধরব।

এই গল্পটা মূলত এক কিশোরের। যার নাম ময়না। ময়না 14 বছর বয়সী এক কিশোর। সে বসবাস করত সীমান্তবর্তী ছোট্ট একটা গ্রাম নোয়াপাড়ায়। ময়না তার বাবা-মায়ের সাথে থাকতো। তার বাবার নাম হল হারুন মিয়া এবং তার মায়ের নাম হল কুলসুম বানু। ময়না খুব একটা তার বাবার আদর পায় না কারণ তার বাবা একজন চোর।

তার বাবা চোর হওয়ার কারণে ময়না ও তার মাকে অনেক অপমান এর মধ্যে পড়তে হয়। এটা নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যেই অনেক ক্ষোভ অভিমান জমে আছে। অনেকদিন হয়ে যায় হারুন মিয়া বাড়িতেই আসে না। অনেকে আবার ময়নার মাকে খারাপ খারাপ প্রপোজাল দেয়। কিন্তু ময়নার মা সেগুলো কে পাত্তা না দিয়ে ময়নাকে নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে চায়।

ময়নার বয়স 14 হলেও সে আর পাঁচটা স্বাভাবিক ছেলে মেয়েদের মতন নয়। সে অনেকটাই ইঁচরে পাকা ধরনের, যেটা কুলসুম বানুর চোখে পড়ে। ময়নার মাথায় সবসময় প্রতি হিংসা ও খুনের চিন্তা ঘুরতে থাকে। যদি তাকে কেউ খুনির ছেলে বলে তাহলে তখনই তার মাথায় তাকে খুন করার জেদ চেপে বসে।

ময়নার একজন বন্ধু আছে আর সেটা হল তার মাথার ভেতরে থাকা পোকা। মাঝে মাঝে ময়না একা একাই সে পোকার সাথে কথা বলে। ময়না মনে করে এই পোকাই আসল বন্ধু যে কিনা তার কষ্টে কষ্ট পায় এবং তার আনন্দে আনন্দ পায়। মাঝে মাঝে ময়না সেই পোকার সাথে বসে পরামর্শ করে তাকে কিভাবে শাস্তি দেবে। লাল মিয়া ময়নার বাল্যকালের বন্ধু। মাঝেমধ্যেই লাল মিয়া ময়নার গায়ে হাত তুলত এবং চোর বলে গালি দিত।

হঠাৎ একদিন লালমিয়াকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর একদিন এক পুকুরে লাল মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হলো। নোয়াপাড়ার একজন দোকানদার সালাম ময়নার মাকে বেশ উত্ত্যক্ত করতো এবং ময়নার বাবাকেও অপমান করেছিল। কিছুদিন পর সালামের লাশ ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আমরা উপন্যাসের শেষে পল্টু ও জামশেদের লাশ ও দেখতে পাবো।

লাল মিয়াকে কে খুন করল? আবার দোকানদার সালামকেই বা কে খুন করল? শেষে জামশেদ ও পল্টুর খুনই বা কে করল? পরপর চারটি খুন কে বা কারা করল? এই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে এই উপন্যাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। তাই আর দেরি না করে এই সাসপেন্সিব বইটি তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.