উপন্যাস

বলপয়েন্ট PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

আপনারা কি হুমায়ূন আহমেদের বলপয়েন্ট বইটির পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে চান? তাহলে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বলপয়েন্ট বইটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

বলপয়েন্ট বইটি জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই। এখানে হুমায়ূন আহমেদের জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনাগুলো তার লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। পাঠক মহলের পাঠকেরা বইটি পাঠ করলে হুমায়ূন আহমেদ সম্পর্কে অনেক বিষয়গুলো জানতে পারবেন। তার সাথে হুমায়ূন আহমেদের লেখনীর মাধ্যমে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা গুলো পড়ে পাঠক মনে আনন্দের সৃষ্টি হবে। তাই দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত বই বলপয়েন্ট।

বলপয়েন্ট বইটি সম্পর্কে কিছু তথ্য

বলপয়েন্ট বইটি অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৩৬ টি। বেশ কয়েকটি গল্প রয়েছে বইটিতে। হুমায়ূন আহমেদের যেসকল আত্মজীবনীমূলক বই রয়েছে তাদের মধ্যে বলপয়েন্ট বইটি পড়ে আমি সবচাইতে বেশি মজা পেয়েছি।

বলপয়েন্ট বইটির প্রথম যে গল্পটি রয়েছে সেখানে হুমায়ূন আহমেদ অনেকগুলো তথ্য দিয়েছেন। তার ছোট ছেলে নুহাশকে জিজ্ঞাসা করা হল তুমি কি লেখক হতে চাও কিনা? কিন্তু নুহাশ তার বাবার ইতোপূর্বে যে হাঁটাহাঁটির ভঙ্গি দেখেছে সেটা দেখে সে বিরক্ত। সে বলে যে লেখক যদি হতে হয় তাহলে অনেক হাঁটতে হয়। সেজন্য সে কখনো লেখক হতে চায় না।

এরকম একটা গল্পের অবতারণা করেছেন তিনি তার বলপয়েন্ট বইয়ের প্রথম পৃষ্ঠায়। তিনি সবসময়ই মাটিতে বসে সামনে নিয়ে লিখতে পছন্দ করতেন। তার জীবনে কবিতা লেখার বিষয়ক অনেক ঘটনা এ বইটিতে রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদ তার ছোটবোন মমতাজ আহমেদ শিখুর নামে কবিতা ছাপালেন। আসলে তার নামটা দিলে হয়তো তার কবিতা চলতো না।

তাই ছদ্মনামটা তিনি ব্যবহার করলেন। তাঁর কবিতা ছাপা হয়েছিল স্কুল ম্যাগাজিনও। তার কবিতা ছাপা হয়েছিল। তার প্রিয় শিক্ষক আশীর্বাদ দিয়ে বলেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ তুমি তোমার লেখা চালিয়ে যাও। তাহলে জীবনে অনেক উন্নতি করবে। একবার তিনি গেলেন বাংলা একাডেমির কবিতা কবিদের কবিতা সংকলক হুমায়ুন কবিরের কাছে।

তিনি তার কাছে কবিতা দিয়ে আসলেন। কিন্তু হুমায়ুন কোভির তাকে কিছু বাস্তবধর্মী এবং সত্য কথা বললেন। যেগুলো হুমায়ূন আহমেদ আজীবন পালন করে গেছেন। তিনি তাঁর হলে ফিরে এসে কবিতাগুলো টুকরো টুকরো করেছিলেন। পরবর্তীতে এ বিষয়ে শাওনের সাথে কথা হলে শাওন জানায় যে, তার কবিতাগুলো আসলে খারাপ নয়।

হুমায়ূন আহমেদ যখন পিএইচডি করতে বিদেশে যায় তখন তিনি তারা দেশকে অনেক মিস করতেন। তিনি তার দেশের বর্ষার দিনের বৃষ্টির শব্দ, ব্যাঙের ডাক বিভিন্ন কিছুকে মিস করতেন। মিস করতেন দেশকে, দেশের প্রতিটি জিনিসকে।

এইসব দিনরাত্রি নাটক লেখার পেছনে হুমায়ূন আহমেদের একটি আত্মজীবনীমূলক গল্প রয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের মেয়েদের আবদারে নাটকটি লিখতে বসে ছিলেন। মেয়েদের আবদার ছিল যে তাদেরকে একটি রঙিন টিভি কিনে দিতে হবে। তার উদ্দেশ্যে তিনি এইসব দিনরাত্রি নাটকটি লিখতে বসেন।

নাটকটি বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সেই সময় এবং বর্তমান সময়ের জন্য সেই নাটকটি কালজয়ী হয়ে রয়েছে। একটা সময় এইসব দিনরাত্রি নাটকটিতে টুনি চরিত্রকে মেরে ফেলা হয়। এজন্য বাংলাদেশের দর্শকরা কারণ জানতে চান। কিন্তু তিনি কারণ ব্যাখ্যা করেন না।

পরবর্তীতে একটা স্বাক্ষরে সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন যে তার মেয়েরা টিভি কেনার আবদার করেছিল বলে তার এ ধরনের লেখা। আসলে এরকম অনেক রোমাঞ্চিত, মজাদার ঘটনা নিয়ে প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের জীবনী ভরপুর ছিল। আপনারা এরকম অনেক ঘটনার সময় পাবেন বইটিতে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.