উপন্যাস

দরজার ওপাশে PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

হিমু সিরিজের অসাধারণ একটি উপন্যাস হল ‘দরজার ওপাশে ‘। বইটি লিখেছেন বাংলাদেশের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ। তার রচিত হিমু সমগ্রের সব উপন্যাস ই অত্যন্ত চমৎকার। বইটি হিমু সিরিজের ২য় উপন্যাস। বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালের মে মাসে। বইটির প্রকাশক জ্ঞানকোষ প্রকাশনী। বইটি শক্ত মলাটে ছাপা হয়েছে। এই বইটির বাংলাদেশী মূল্যঃ ২০০ টাকা। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২ টি। বইটি প্রকাশিত হওয়ার পূর্ববর্তী বই ময়ূরাক্ষী এবং পরবর্তী বই হিমু।

এক অদ্ভুত ধাঁচের গল্প নিয়ে ‘ দরজার ওপাশে ‘ বইটি রচিত হয়েছে। গল্প – চরিত্রের নানা দিক হুমায়ুন আহমেদ এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। যারা বই প্রেমি তারা বইটি পড়লে অনেক ভালোলাগা কাজ করবে। তাই যারা বইটি এখনো পড়েননি তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। চমৎকার এই বইটি পড়তে এখনই আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

দরজার ওপাশে উপন্যাসের মূল কাহিনী

হিমু তার মেসে ঘুমিয়ে আছে। মনে হচ্ছে কেউ তাকে ডাকছে এই হিমু। হিমু তার গলার স্বর চিনতে পারছে না, আবার মনে হচ্ছে অপরিচিত ও না। ঘুম জড়ানো চোখে হিমু জবাব দিল কে? কোন সাড়াশব্দ পাওয়া গেলো না। হিমু আর স্বপ্ন টা দেখতে চায় না। কারণ দরজার ওপাশে কে আছে তাকে সে দেখতে চায়না। ঘুম ভাঙার পর সে বাইরে বেরিয়ে দেখে সকাল হয়ে গেছে।

বাইরে বের হওয়ার পরই তার বায়জোজিদ সাহেবের সাথে দেখা হয়। লোকটার চোখ সবসময় লাল হয়ে থাকে। হিমুর সাথে দেখা হতেই তিনি তার মেয়ের জন্য দোয়া করতে বলেন। তিনি মনে করেন হিমু একজন মহাপুরুষ। হিমু যে মহাপুরুষ না এইটা বলার আগেই বায়োজিদ সাহেব চলে যায়।

হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল হিমুর একনিষ্ঠ ভক্ত। সেও হিমুর মতো মহাপুরুষ হতে চায়। তাই সে সবসময় হিমুকে অনুসরণ করে। এইটা তার ফুপা-ফুপু পছন্দ করেন না। তাই হিমুকে বাদলের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। এইজন্য তার ফুফু তাকে মাসে মাসে টাকা পাঠায়। এরপর কাহিনী এগিয়ে যায় রফিকের সাথে। হিমু রফিকের সাথে দেখা করার জন্য বে হয়েছিল। কিন্তু রফিক ই তার সাথে দেখা করতে আসে। রফিক এসে জানতে চায় হিমুর কোন উকিলের সাথে পরিচয় আছে কিনা। কারণ রফিকের চাকরি চলে গেছে। আর সে মনে করে হিমু একমাত্র তার সমাধান দিতে পারবে।

হিমুর একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হল জহির। সে হিমুর কথা শুনে মাটি খুড়ে শুধু মাথা বের করে আকাশ দেখতে থাকে। মোঃ সিরাজুল করিম যে পুলিশের ওসি পদে কর্মরত আছেন। তার স্ত্রী রানু একজন মৃত্যু পদযাত্রী মহিলা। তার নেতৃত্ত্বে পুলিশ এসে দুজনকেই ধরে নিয়ে যায়। জহিরের বাবা মোবারক হোসেন একজন এমপি হওয়ায় জহিরকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন হিমুকে বাদ দিয়ে।

পরে জহিরের জোরাজুরিতে পুলিশ হিমুকেও ছেড়ে দেয়। বিশেষ একটা অপরাধে জহিরের বাবা মোবারক হোসেনের মন্ত্রী পদ চলে যায়। জহির ও তার বাবা হিমুর কাছে আসে সমস্যা সমাধানের জন্য। তারা হিমুকে মহাপুরুষ মনে করে। এইভাবে বিভিন্ন গল্পের কাহিনি নিয়ে চমৎকার এই উপন্যাসটি শেষ হয়।

দরজার ওপাশে PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.