প্রবন্ধ

হারেম PDF Download শ্রীপান্থ

আপনারা যদি হারেম বইটির পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তার জন্য আপনাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের নিচে গিয়ে হারেম বইটি পিডিএফ ডাউনলোড এর ওপরে ক্লিক করতে হবে। তো চলুন আমরা নিচে গিয়ে হারেম বইটির পিডিএফ ফাইল খুব সহজেই ডাউনলোড করে নিই।

হারেম বইটি লিখেছেন শ্রীপান্থ। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ 112। এ বইটি দেজ পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটি যদি আপনারা হার্ড কপি সংগ্রহ করতে চান তাহলে বাজারে বিভিন্ন অনলাইন শপ বা নিকটস্থ লাইব্রেরীতে পেয়ে যেতে পারেন। অনেক জায়গায় আপনারা অরিজিনাল কপি পাবেন আবার অনেক জায়গায় নীলক্ষেত প্রিন্ট এর বইগুলো পাবেন।

আর যারা বই কিনতে পারছেন না অথবা বইটি পড়তে তীব্র আকাঙ্ক্ষা অনুভব করছেন তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

হারেম বইটি মূলত অটোমান সাম্রাজ্য থেকে তুর্কি সেনাপতি দের ব্যবহৃত একটি আবাসস্থল। এখানে একেক জন অটোমান সাম্রাজ্যের সম্রাট অথবা তুর্কি সেনাপতি তাদের পছন্দমতো মেয়ে নিয়ে এসে রাখত। তাদের ইচ্ছামত তারা সে সকল মেয়েদেরকে ব্যবহার করত। আমরা অতীতের বিভিন্ন বই পড়লে জানতে পারে যে আগেকার দিনের রাজ রাজাদের একাধিক পত্নী ছিল। রাজ রাজারা এ সকল পত্নীদের সাথে কেমন ব্যবহার করত, তাদেরকে বসবাস করার জন্য কেমন পরিবেশ প্রদান করত, তাদের দেখভালের জন্য কারা নিযুক্ত ছিল এসব‌ই বইতে উঠে এসেছে।

আগেকার দিনের রাজ রাজারা অনেক বিলাসবহুল ছিল। তারা তাদের সঙ্গে রানী থাকার পরেও তারা আনন্দ বিলাসে মত্ত হওয়ার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সুন্দরী মেয়েদের ধরে নিয়ে এসে হারেমে রাখতো। অনেক‌কে হয়তো কিনে আনা হতো, অনেককে জোরপূর্বক তুলে আনা হতো, আবার অনেকে স্বেচ্ছায় হারেমের জীবন উপভোগ করার জন্য চলে আসতো। এক্ষেত্রে দেশের গরীব চাষাভুষার মেয়েরা উঠে আসতো।

হারেমে যেসকল মেয়ে থাকতো তাদের অবস্থা কেমন ছিল তাও উঠে এসেছে এই বইটিতে। রাজারা হারেমের মেয়েদের জন্য সুখের বিসর্জন নিয়ে এসেছিল। হারেমের মেয়েগুলো যাতে সুখে শান্তিতে থাকে তার জন্য ছিল না খাবারের কষ্ট ছিল না অন্য কোনো আর্থিক কষ্ট। সকলেই মহাসুখে দিন কাটাতো । যেদিন যে মেয়ের ডাক পড়তো সেদিন সিমের জন্য ছিল আনন্দের দিন। আবার হারেমে যেসকল মেয়ে থাকতো তাদের দুঃখের সীমা ছিল না। পরিবার পরিজন ছেড়ে তারা এ সকল স্থানে বসবাস করত দিনের পর দিন। হারেমের মেয়েদের অনেকের অবস্থা পরবর্তীতে রাজা ভালো করে দিয়েছিলেন। রাজার মৃত্যুর পর যাতে প্রত্যেকেসুখে শান্তিতে থাকে তার জন্য সকলের ভাগ্যই সুন্দরভাবে বন্দোবস্ত করেছিলেন রাজা।

তবে অনেক সময় হারেমের যে মেয়েরা যার অধিক পছন্দ ছিল তাকে ষড়যন্ত্র করে হত্যা করা হতো। অর্থাৎ রাজার সান্নিধ্য যাতে বেশী না পায় সেজন্য রাজা থেকে সেই মেয়েকে দূরে সরিয়ে দেওয়ায় ছিল মূল লক্ষ্য। তাছাড়া হারেমে যে সকল লোক নিযুক্ত ছিল তারা ছিল খোঁজা। খোজা ব্যক্তিদের নিযুক্ত করা হতো কারণ খোঁজার অনেক জ্ঞান বুদ্ধি সম্পন্ন এবং বিশ্বস্ত।

তবে সে সকল খোঁজা যে একেবারেই খোঁজা তা নয়। হারেমের খোজারা অনেক সময় অনেক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলত। অবশ্য তা রাজার অগোচরে। রাজা যদি এ সকল তথ্য জানতে পারত তাহলে সেই খোঁজার জীবন নিঃশেষ করা হতো। বিভিন্ন ইউরোপীয় লোকজনদের ভাষ্যমতে এ সকল খোজাদের কাহিনী সুন্দরভাবে উঠে এসেছে বইটিতে।

উঠে এসেছে হারেম বইটিতে রাজাদের বিবাহিত জীবনের কথা। রাজাদের বিবাহিত জীবনের সুখ শান্তির কথা। এ বইটির সৃষ্টিতে সকল হারেমবাসিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। অনেক বাবা-মা তার মেয়েকে সে খুঁজে পেয়েছে অথবা অনেক মেয়ে তার বাবা-মার আর খোঁজ পাইনি। এভাবে বইটি শেষ হয়ে গিয়েছে। হারেম সম্পর্কিত আরও তথ্য জানতে লেখক শ্রীপান্থ আরো অনেক বই পাঠকদের সাজেস্ট করেছেন। আশা করি এই বইটি পড়লে আপনারা অনেক অজানা তথ্য জানতে পারবেন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.