উপন্যাস

হরতন ইশকাপন PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

বাংলাদেশের বিখ্যাত একজন ঔপন্যাসিক হলেন হুমায়ূন আহমেদ। তার রচিত অসাধারণ একটি উপন্যাস হল ‘ হরতন ইশকাপন ‘। হুমায়ূনের রচিত অসাধারণ একটি চরিত্র মিসির আলিকে নিয়ে লিখা হয়েছে এই উপন্যাসটি। মানবজীবনের রূপ, রহস্য, হাসি, কান্না, বেদনার এক অপূর্ব বহিঃপ্রকাশ হল হুমায়ূন আহমেদের এই মিসির আলি চরিত্র। অসাধারণ এই উপন্যাসটি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। যারা বইটি এখনো পড়েননি তারা তাড়াতাড়ি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বইটি পড়ে ফেলুন।

‘হরতন ইশকাপন’ বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলিকে নিয়ে লিখা। এই বইটি প্রকাশিত হয় ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। বইটি প্রকাশিত করেন অন্যন্যা প্রকাশনী। বইটির মিডিয়ার ধরণ মুদ্রিত গ্রন্থ। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৮৫ টি। বইটির বাংলাদেশী মূল্যঃ ১৬০ টাকা।

হরতন ইশকাপন উপন্যাসের মূল কাহিনী

দিন দিন মিসির আলির বয়স বেড়েই চলেছে। শরীরে আগের মতো জোর বা শক্তি কোনোটাই নেই। এখন অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বেশ কিছু দিন আগে তিনি ভাড়া বাসাতে উঠেছেন। সেই বাড়িওয়ালার নাম আজমল হোসেন। নতুন বাসায় উঠার পরপরই মিসির আলির সাথে নানা রকম ঘটনা ঘটতে শুরু করল। মিসির আলির খাওয়া দাওয়ার সমস্যা দেখে আজমল সাহেব তার জন্য একটি মেয়ে ঠিক করে দিলেন। ৯/১০ বছরের মেয়েটির নাম আখিতারা। সব কিছু ঠিকঠাক ই চলছিল। আজমল সাহেবের একজন ভাই আছে যিনি একজন কথিত পীর। তিনও মিসির আলি সম্পর্কে ভবিষৎবাণী করলেন যে কিছু দিনের মধ্যে মিসির আলি ভয়ংকর বিপদে পড়বে।

এরপর মিসির আলির সাথে মনসুর নামের এক ম্যাজিসিয়ান দেখা করতে আসলেন। তার বয়স হবে ২৫/২৬। তিনি এসে দাবি করলে ম্যাজিক দেখাতে তিনি কোনো প্রতারণার আশ্রয় নেন না। একে একে বিভিন্ন ম্যাজিক দেখালেন মিসির আলিকে। বইয়ের পাতার পর পাতা উল্টিয়ে অভিভূত করলেন মিসির আলিকে। এমনকি দেখা গেল সে শূন্যে ভাসতে পারে।

তবে মিসির আলি কে শুধুমাত্র যাদু দেখানো তার উদ্দেশ্য ন বরং রেবার থেকে সাবধানে থাকতে বলাই তার আসল উদ্দেশ্য। রেবা হল আজমল সাহেবের ভাগ্নী যে তার মামার বাসায় থাকে। রেবা মানসিক ভাবে অসুস্থ। প্রায়ই দেখা যায় রেবা মিসির আলির সাথে গল্প করতে আসে। দেখে মনে হয় মিসির আলিকে সে পছন্দ করে, তার প্রতি আলাদা টান আছে। তবে বেশিরভাগ সময় মিসির আলি তাকে এড়িয়ে যায়।

মনসুর মিসির আলিকে বলে রেবার থেকে সাবধানে থাকতে। মিসির আলি বুঝতে পারে না এই অল্প বয়সি মেয়ের থেকে কেনো সাবধানে থাকতে হবে। মনসুর আরো জানায় রেবা তার ছেলে আর স্বামী কে খুন করেছে। সে তার মা কেও কৌশলে খুন করেছে যাতে কেউ না বোঝে। সে মিসির আলিকেও খুন করতে চায়। এরপর একদিন রাতে আঁখিতারা কে কেও চিমটি কাটে। এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মনসুর বলে আখিতারা মারা যাবে আর মিসির আলির জীবনেও নেমে আসবে ভয়ংকর বিপদ।

আখিতারার প্রচন্ড জ্বর আসে। মিসির আলি বুঝতে পারেন না কি করবেন এই মেয়েটাকে নিয়ে। সেই সময় মনসুর এসে আখিতারার মাথায় পানি দেয়। বলে যে মেয়েটার জ্বর কমেনি তবে সে মনে হয় মারা যাবে। তখন মিসির আলি আঁখিতারাকে হাসপাতালে ভর্তি করান। তখন আঁখিতারা সুস্থ হয়ে যায়। মিসির আলি বুঝতে পারেন নতুন রহস্যের সূচনা হবে।

হরতন ইশকাপন PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.