উপন্যাস

হার্ট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড PDF Download হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড

বাংলাদেশের সাহিত্যাঙ্গনে সায়েম সোলায়মান একটি পরিচিত নাম। তিনি তার অনুবাদ সমগ্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের পাঠকদের কাছে বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। ইংলিশ উপন্যাসগুলো কে তার বাংলা অনুবাদের মাধ্যমে পাঠকদের কাছে সহজবোধ্য করে তোলার প্রয়াস খুবই লক্ষণীয় প্রভাব ফেলেছে পাঠকদের উপর। তিনি লেখক হিসেবে সবার কাছেই বেশ সমাদৃত। মূলত তার ওপর নেশা থেকেই লেখালেখি আরম্ভ হয়েছে। তার তৈরি অনুবাদে আমরা অনেক কঠিন জিনিস কেউ সহজভাবে দেখতে পাই। বিখ্যাত সব অনুবাদগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় একটি অনুবাদ হলো “হার্ট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড”। এই অনুবাদের বইটি খুব সহজে বাঙ্গালীদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

“হার্ট অফ দ্য ওয়ার্ল্ড” লিখেছেন হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড। অনুবাদ করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখকের সায়েম সোলায়মান। এটি একটি রহস্য, গোয়েন্দা, ভৌতিক,মিথ, থ্রিলার অ্যাডভেঞ্চার মূলক উপন্যাস। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় 2012 সালে। বইটি প্রকাশ করেছে সেবা প্রকাশনী। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 558 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 182 টাকা।

কাহিনী সংক্ষেপ

মূল লেখক হেনরি রাইডার এর জন্মস্থান হল ইংল্যান্ডের নরফোক। চাকরির সুবাদে তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। সেইসব অভিজ্ঞতা নিয়ে বই রচনা করেন। তার লেখাগুলো পাঠকদের অনেকভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তার অভাবনীয় রচনার মধ্যে পৃথিবী পেয়েছে চমকপ্রদ কিছু কাহিনী।

এই গল্পের মূল কাহিনীটা শুরু হয় লেখোকের একজন বন্ধুকে দিয়ে। লেখক এর বন্ধু টি ছদ্মনাম নিয়ে থাকে। ছদ্মনামধারী সে বন্ধু জোন্সের ভাগ্যের চাকা ঘোরানোর প্রচেষ্টা থেকেই এই গল্পটা শুরু হয়। জোনসের আগ্রহ ছিল পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন এর প্রতি। সেই অনুসারে এই তার পরিচয় হয় ইন্ডিয়ান ষাটোর্ধ্ব বুড়ো ডন ইগনাশিয়োর এর সাথে। তাদের মধ্যে অনেক বয়সের পার্থক্য ছিল কিন্তু তারপরেও তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গাঢ়ো হয় তাদের গুণাবলীর জন্য।

ডন ইগনাশিয়োর গির্জার বেবি সংলগ্ন দেয়ালে এক লোক লিপি ফলক এবং স্বর্ণ শহরে প্রতি জোন্সের আগ্রহর দরুন তিনি লিখে রেখে যান তার জীবনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় কিছু ঘটনা। এই লেখায় জোন্সের মাধ্যমে পৌছে যায় লেখক এর কাছে। ডন যখন যুবক ছিল উত্তরাধিকারসূত্রে সে একটি কবচ পেয়েছিল। যার ফলে সে পরিণত হয় লর্ড অফ দ্য হার্ট এ। মেক্সিকোর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে, তার নিজের স্ত্রীর দ্বারা শোচনীয় একটি ঘটনার মাধ্যমে নারীর প্রতি বিদ্বেষ প্রবন হয়ে ওঠেন তিনি।

তারপরে তার সাথে পরিচয় হয় এক ইংলিশ যুবক জেমস স্ট্রিকল্যান্ডের এর সাথে। জেমস এর বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করেছিল তাদেরকে প্রতিহত করে ‘বন্ধুত্ব’ নামক নতুন সূর্যের অবতারণা করেন তিনি। একদিন এক বাণীকে সত্যতা দান করতে গিয়ে বন্ধুকে নিয়ে ছুটে যায় সে কিংবদন্তির স্বর্ণ শহরের দেশে। যাওয়ার সময় আঘাত হানে নর্টে নামক এক প্রবল ঝড়। ঝড়ের কারণে তারা আশ্রয় নেয় তাদেরই এক শত্রুর বাড়িতে।‌ তারপর তাদেরকে সেখান থেকে একজন সুন্দরী রমণী পথ দেখিয়ে নিয়ে যান স্বর্ণ শহরে।

সেই সুন্দর মেয়েটা হল প্রাচীন নিদর্শন স্বর্ণ শহরের রাজকন্যা লেডি অফ দ্য হার্ট ‘মায়া’। শুরু হয় স্বর্ণ শহর অভিমুখে তাদের যাত্রা। সে অভিযানে আছে প্রতিজ্ঞা, ভালোবাসার জন্য দুঃসাহস। ওইখানে পৌঁছানোর পর তারাও মুখোমুখি হয় সত্যের। শুরু হয় ষড়যন্ত্র, মারামারি, সংঘাত,ধ্বংস। আমি এখানে গল্পের সামান্য কিছু অংশ সংক্ষেপে তুলে ধরলাম।

রোমাঞ্চকর ও অ্যাডভেঞ্চার মূলক এই উপন্যাসটি পুরো কাহিনী জানতে হলে অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে বইটি শেষ করতে হবে। এই বইটির হার্ডকপি যারা এখনো সংগ্রহ করেননি তারা এখনই আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বিনামূল্যে বইটি ডাউনলোড করে ফেলুন। আশাকরি অনেক ভালো লাগবে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.