উপন্যাস

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

বাংলাদেশের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত অসাধারণ একটি উপন্যাস হল ‘ জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল ‘। হুমায়ুন আহমেদ রচিত এটি একটি অসাধারণ উপন্যাস। বইটি প্রকাশিত হয়েছে ১৯৯৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। বইটির ৯ম তম সংস্করণ হয় ২০১৫ সালে। বইটি প্রকাশ করেছে অনন্য প্রকাশ প্রকাশনী। বইটি হার্ডকাভারে ছাপা হয়েছে। বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৭৯ টি। বইটির বাংলাদেশী মুদ্রিত মূল্যঃ ১৫০ টাকা। বইটির অনলাইন পিডিএফ সাইজঃ ০৩ এমবি।

এটি একটি সমকালীন উপন্যাস। একজন স্কুল মাস্টারের জীবন কাহিনী নিয়ে গল্পটি রচিত হয়েছে। চমৎকার এই বইটি যারা এখনো পড়েননি তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রী পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। সুন্দর এই বইটি পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আজই বইটি পড়ে ফেলুন।

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল গল্পের মূল কাহিনী

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল নামে একটি হাইস্কুলের কাহিনী নিয়ে গল্পটি রচিত হয়েছে। ময়মনসিংহের মানুষ যার নাম জীবনকৃষ্ণ তার মনে একদিন আকস্মিক ভাবনার উদয় হল। তিনি তার জীবনের সমস্ত অর্থ একটি সৎ ও ভালো কাজে ব্যয় করতে চান। তার প্রতিফলে তিনি তৈরি করলেন জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল। সেই স্কুলের হেডমাস্টার হলেন ফজলুল করিম। তিনি একজন নির্ভেজাল মানুষ এবং শুধু তার একটাই চিন্তাভাবনা স্কুল নিয়ে।

এই ‘ জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল’ নিয়ে ফজলুল করিমের একটি অত্যন্ত দুঃখের আর লজ্জাজনক ঘটনা রয়েছে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীরা সেই স্কুলে ক্যাম্প তৈরি করে। তারা জানায় তারা এই স্কুলের নাম পরিবর্তন করতে চায়। কিন্তু ফজলুল নাম পরিবর্তন করতে বাধা দেন। হানাদার বাহিনীরা নাম পরিবর্তন করে না কিন্তু তাকে উলঙ্গ করে স্কুলের চারপাশ ঘুরিয়ে নিয়ে আসে। সেই লজ্জায় তার পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আত্মহত্যা করেন। আজ এতো বছর পরেও সেই বিভীষিকা ময় স্মৃতি তিনি ভুলতে পারেননা। সেই থেকে এই স্কুল তার প্রাণ।

স্কুল নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন। কিন্তু বাস্তবে তা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ সেখানে আরেকটা স্কুল গড়ে ওঠায় এইস্কুলের শিক্ষক আর শিক্ষার্থী সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে। আসছে তার উপর আবার শিক্ষকরা বেতনও পায় না আবার কোন সহায়তাও পায়না। এই নিয়ে শিক্ষকরা এই স্কুলে থাকতে চায়না। শিক্ষক আর ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে। এই স্কুলের অংক স্যার বিনয় বাবু স্কুলটা ছেড়ে দিয়ে নীলগঞ্জ নতুন স্কুলে চাকরি নিয়েছেন। কিন্তু সেটা নিছক পেটের দায়ে এবং তিনি এখনো জীবনকৃষ্ণ হাইস্কুলকে ভালোবাসেন আর ভীষণ শ্রদ্ধা করেন।

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুলে মামুন হোসেন নামের একজন সায়েন্স টিচার এসেছেন। তিনি খুব পরিশ্রমী একজন শিক্ষক। ফজলুল করিমের সাথে তিনিও স্কুলটাতে প্রাণ ফিরিয়ে নিয়ে আসার আপ্রাণ চেষ্টা করে যান। কিন্তু কো শিক্ষকই বেশিদিন এই স্কুলে এসে থাকে না। ফজলুল করিম ভাবেন মামুনের বেলায়ও হয়তো এর কোন ব্যতিক্রম হবে না। কিন্তু তিনি মামুনের কাজ দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হন।

তারপর ফজলুল করিম স্কুলের ফান্ড থেকে অনেক কষ্ট করে শিক্ষকদের বেতনের ব্যবস্থা করেন। তার আর মামুনের সহায়তায় স্কুলের দিন দিন আরো উন্নতি হতে থাকে। ফজলুল করিমের এতো দিনের আশা একটু একটু পূরণ হতে থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই গল্পের পরিণতি কি হয়- সেই সবকিছু জানতে হলে পড়তে হবে হুমায়ুন আহমেদের অসাধারণ বই ‘ জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল ‘।

জীবনকৃষ্ণ মেমোরিয়াল হাইস্কুল PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.