উপন্যাস

লীলাবতী উপন্যাস PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

লীলাবতী উপন্যাস PDF Download হুমায়ূন আহমেদ, হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত উপন্যাস লীলাবতী এর পিডিএফ ভার্সন আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লীলাবতী উপন্যাস পিডিএফ আকারে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। উপন্যাসটি পড়ার আগে চলুন বইটার রিভিউ দেখে নেয়া যাক এবং কাহিনী সংক্ষেপ জেনে নেওয়া যাক।

লীলাবতী হুমায়ূন আহমেদ

লীলাবতী উপন্যাসটি লিখেছেন জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা 240‌। বইটির মূল্য 400 টাকা। হুমায়ূন আহমেদ যখন তার নানার বাড়ি মোহনগঞ্জ এ বাস করছিলেন তখন সেখানকার পুরনো বাড়ি এবং বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক পরিবেশের উপর ভিত্তি করে লীলাবতী উপন্যাসটি লিখেছেন‌।

লেখক হুমায়ূন আহমেদ নানার বাড়ি ,নানার বাড়ির পেছনের জঙ্গল,জঙ্গল এর ভেতরের দেয়াল ,পূর্বপুরুষদের কবরস্থান বিভিন্ন রহস্যময় জিনিস দেখেই উপন্যাস লেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং লিখে ফেলেন।

তিনি পূর্ব কথাটি বলেছেন নানাবাড়ির স্মৃতি মাথায় রেখেই লীলাবতী উপন্যাস লিখতে শুরু করেছিলাম। সেই সময়ে রহস্যময় তাকে ধরার চেষ্টা। লেখাটা ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল অন্যদিন পত্রিকায়।কোন ধারাবাহিক লেখায় লেখক শেষ করতে পারেন না।

খেই হারিয়ে ফেলে ,আগ্রহ কমে যায়। লীলাবতীর ক্ষেত্রেও তা-ই হলো। তাই লেখককে লেখাটি শেষ করে ফেলল। লেখক বলেছেন লীলাবতী উপন্যাসের চরিত্র ভালো থাকুক।তাদের প্রতি আমার শুভকামনা।

লীলাবতী নাটক

নীলাবতীর বাবার নাম সিদ্দিকুর রহমান। লীলাবতী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সিদ্দিকুর রহমানের প্রথম পক্ষের স্ত্রী আয়নার মেয়ে। আয়না সিদ্দিকুর রহমানের সংসারে যখন ছিল তিনি একজন মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। তবে তিনি ভবিষ্যৎ বলতে পারেন।

তখন সিদ্দিকুর রহমানের দাদিকে দেখাশোনা করতেন। তাই সিদ্দিকুর রহমানের দাদি আয়নাকে বিভিন্ন ধরনের কটু কথা শোনায়। আয়না না সহ্য করতে পারে সিদ্দিকুর রহমানের দাদির কথাগুলো শুনে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন এবং একসময় সিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে বিদায় নেন।

বলেন যে তাকে যেন বাবার বাড়িতে রেখে আসা হয়। সিদ্দিকুর রহমান তাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পরে সিদ্দিকুর রহমান আয়নাকে আনতে লোক পাঠায়। আয়না তার স্বামীর সংসারে ফিরে আসতে অস্বীকার জানাই। এদিকে সিদ্দিকুর রহমান বিবাহ করে রমিলা খাতুন নামে এক মেয়েকে যিনি উচ্চতায় খাটো, গোলগাল মুখ এবং গায়ের রং ফর্সা।

আয়না যখন তার বাপের বাড়িতে যাই তখন জন্ম হয় লীলাবতীর। জন্মের 11 বছর পর তার বাবা সিদ্দিকুর রহমানকে দেখতে সেই পুরনো বাড়িতে আসেন। এসে দেখে তার সৎ মায়ের দুই মেয়ে এবং এক ছেলে হয়েছে। দুই মেয়ের নাম জ‌ইতরি আর ক‌ইতরি।

ছেলের নাম মাসুদ। সে তার সৎ ভাই বোনদের প্রতি গভীর ভালোবাসা দেখাতে থাকে। দুই বোনকে পড়াতে থাকেন আনিস নামের একজন গৃহশিক্ষক। গৃহশিক্ষক কে রমিলা খাতুন এর দুই মেয়ে খুবই ভয় পাই। এদিকে গৃহ শিক্ষকের নাম আনিস।

লীলাবতীর ভাই মাসুদ রাতবিরাতে কোন একজনের বাড়িতে থাকে। কারণ সেই বাড়ির মেয়েকে সে ভালোবাসে এবং গোপনে বিয়ে করে।তার বাবা এর জন্য তার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং শেষে তাঁকে ও তাঁর পুত্র বধুকে মেনে নেয় কিন্তু পুত্রের প্রতি ক্ষোভ থেকে যায়।

সিদ্দিকুর রহমান পুত্রকে বিভিন্নভাবে মানসিক অত্যাচার করতে থাকে। এক সময় পুত্র গলায় দড়ি দিয়ে মারা যায়। তাদের পরিবারের জন্য মাসুদ এর মৃত্যু এক গভীর ট্রাজেডি। লীলাবতীর মামা মঞ্জু তার সাথে সেই গ্রামে বসবাস করতে থাকে এবং সেই গ্রামের প্রেমে পড়ে যাই।

লীলাবতীর দুই বোনকে নিয়ে তার সুন্দর সময় কাটতে থাকে। এবং সে এক সময়ে গ্রামে পুরোপুরিভাবে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে থাকে। গল্পে মসজিদের ইমামের কথা বারবার উঠে এসেছে। বিভিন্ন চরিত্র কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে মনে হয়েছে যে প্রত্যেকটি চরিত্রই প্রধান চরিত্র।

শেষের দিকে আমরা দেখতে পাই আনিস একজন আসামি। তার কাছে বন্দুক থাকায় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে নিয়ে যায় ।তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার জন্য সিদ্দিকুর রহমান সাহেব দুঃখপ্রকাশ করেন এবং তাকে উদ্ধারের জন্য তিনি জেলহাজতে তাকে উদ্ধারের জন্য মান।

পরিবারের গৃহ শিক্ষকের জন্য তার জেলে যাওয়া একটি দুঃখজনক ঘটনা। পরিবারের দায়ভার এসে সম্পূর্ণ পড়ে লীলাবতীর হাতে। লীলাবতী দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করতে থাকে। শেষে আনিসের মামলা কোর্টে উঠে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুরুতর রাষ্ট্রদ্রোহিতা। 1978 সালের আইন 128 ধারা একইসঙ্গে অস্ত্র আইন 1923 সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন। এখানে আরেকটি বিষয় হচ্ছে আনিস লীলাবতীকে ভালোবেসে ফেলে।

আনিসের একটি খাতা লীলাবতী উদ্ধার করে যেখানে শুধু লীলাবতীর বারবার নাম লেখা থাকে। আনিস গ্রেপ্তারের পর লীলাবতী এগুলো উদ্ধার করে এবং আনিসের প্রতি তার ভালোবাসা মনে মনে প্রকাশ পায়।

যে সত্যিই সে এতদিন আনিসকে ভালোবাসত। গল্পটি আমার কাছে খুবই উপভোগ্য মনে হয়েছে। পাঠকেরা যদি আপনারা এই বইটি পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তাহলে অবশ্যই আপনাদের কাছে ভালো লাগবে তাই বইটি। বইটি খুব সুন্দর করে পড়ুন। হ্যাপি রিডিং।

লীলাবতী হুমায়ূন আহমেদ পিডিএফ ডাউনলোড

খুব সহজেই উপন্যাসটি ডাউনলোড করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। উপন্যাস ডাউনলোড এর জন্য নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন। আপনার ইন্টারনেটের গতির ওপর ভিত্তি করে দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই বইটি ডাউনলোড হয়ে যাবে।

আমাদের ওয়েবসাইটের বইয়ের কালেকশন আপনার কেমন লেগেছে তা জানাতে কমেন্ট করতে পারেন। আপনার বন্ধুদেরকে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বলুন। আর ফেসবুকে লিংকটি শেয়ার করুন। ‌ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.