থ্রিলার

মন জোছনার কান্না PDF Download মোশতাক আহমেদ

বাংলাদেশের বিখ্যাত একজন লেখক হলেন মোশতাক আহমেদ। তার লেখা খুব অল্পসময়ের মধ্যেই পাঠকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তাঁর রচিত সবগুলো উপন্যাস সবার অধিক প্রিয়। ছোট থেকে বড় সবাই তাঁর উপন্যাস পড়তে অনেক বেশি পছন্দ করে। তার রচনাগুলো যেমন বড়দের মনের আনন্দের খোরাক যোগায় তেমনি ছোটদের অনেক ভালো করে দেয়। তিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় লেখক হয়ে উঠেছেন। তার বিখ্যাত উপন্যাস গুলোর মধ্যে “মন জোছনার কান্না” উল্লেখযোগ্য।

মোশতাক আহমেদ পেশায় ছিলেন একজন ডিআইজি। কিন্তু বরাবরই তার লেখার প্রতি আগ্রহ টা অনেক বেশি ছিল। তাই সে নিজের ক্যারিয়ার সামলে লেখালেখির ক্ষেত্রে অনেক নাম অর্জন করেছেন। তার অন্যান্য সব উপন্যাস গুলোর চেয়ে সাইন্স ফিকশন উপন্যাস গুলো বেশি সমাদৃত হয়েছে পাঠকদের কাছে। তিনি তাঁর লেখায় কল্পনার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন।

“মন জোছনার কান্না” মোশতাক আহমেদের একটি বিখ্যাত থ্রিলার উপন্যাস। বইটি প্রথম প্রকাশ করেছে অনিন্দ্য প্রকাশনী। প্রথম প্রকাশিত হয় 2022 সালে। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 191 টি। বর্তমান বাজারে মুদ্রিত মূল্য 263 টাকা।

কাহিনী সংক্ষেপ

লেখক মোশতাক আহমেদ বড় বড় চেষ্টা করেন পাঠকদের মনের ভাষাকে তার লেখার মাধ্যমে তুলে ধরার। তার লেখনীর বিষয়বস্তুগুলো এতটাই সাবলীল হয় যে পাঠকরা পড়ে বুঝতে পারে না এটি বাস্তব নাকি কল্পনা। তার চরিত্রায়ন বরাবরের মতই সুন্দর ছিল এই উপন্যাসটিতে। এছাড়াও এই উপন্যাসে সহজ-সরল ও পাঠকদের বোধগম্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এই উপন্যাসের একটি গল্প ছিল রহস্য আরেকটি গল্প ছিল সাইন্টিফিক তথ্য অনুযায়ী।

জেসমিন একটা ছেলেকে খুব অবাক চোখে দেখছিল। ছেলেটির পরনে ছিল নীল পাঞ্জাবী। ছেলেটি ছিল বিদেশি, চোখদুটো নীল। ছেলেটি জেসমিনের কাছেই এগিয়ে আসছিল। ছেলেটির বয়স হয়তো 30, 32 বছর হবে। জেসমিন কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছিল না কিভাবে এত রাতে এই মানুষটি তার ঘরে প্রবেশ করল? সে একবার ভেবেছিল যে চিৎকার করবে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ পরেই তার সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলেছিল।

সে আসলে ছেলেটিকে বাজিয়ে দেখতে চাইল। সে আসলে দেখতে চাই ওই ছেলেটি কি এমন করতে পারে। জেসমিন ভাবতে লাগলো ছেলেটি হয়তো কোন ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী। তার উপর যদি ঐশ্বরিক ক্ষমতা না থাকে তাহলে কি করে সে এত রাতে জেসমিনের ঘরে ঢুকলো।

কিছুদিন যাওয়ার পরে জেসমিন বুঝতে পারলো যে সে ভুল কিছু ভাবেনি।সেই আসলে ঐশ্বরিক ক্ষমতার অধিকারী। কোন ভুল কিছু ভাবেনি আসলে ঐ ছেলেটির ক্ষমতার অধিকারী। ওই ছেলেটি তাকে মুহুর্তের মধ্যেই ঢাকা থেকে নিয়ে কক্সবাজার চলে আসলো। আসলে ওই জাদুকরী ছেলেটির নাম হল ডক্টর হাডসন। এই উপন্যাসে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো ডঃ হাডসন। কিছুদিন পরে ডাক্টারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সে যাওয়ার আগে একটি স্মৃতি চিহ্ন রেখে গেছে জেসমিনের গর্ভে।

জেসমিন পাগলের মত হন্য হয়ে ডাক্টার হাডসনকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। জেসমিন যখন ডাক্টার কে খুঁজতে পাগলপ্রায় তখন ডাক্টার হাডসনের পরিচয় হয় ডাক্তার তরফদার এর সাথে।

ডাক্তার তরফদার হাডসনের সম্পর্ক খোঁজখবর নিতে গেলে জানতে পারে যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হাডসন ইংল্যান্ডে পাড়ি দেন তারপরে আর সে কখনোই দেশে আসেন নি। এতদিনে হয়তো তার মৃত্যুও হয়ে গেছে। কিন্তু সবার প্রশ্ন হল সে যদি মারা যায় তাহলে তার ছবি কিভাবে আসতে পারে? শেষ পর্যন্ত কিভাবে জেসমিন ও তার বাচ্চার কি পরিনতি হয়? কিভাবে ডাক্তার হাডসনের খবর নেয়?

একটি চমৎকার এখন যারা পড়েননি তারা আর দেরি না করে আমাদের পেজ থেকে বইটি পড়ে নিন। রহস্যের পাশাপাশি টুইস্টে ভরপুর ছিল। শেষ পর্যন্ত সবার কি পরিনতি হয় জানতে হলে অবশ্যই বইটা পড়তে হবে শেষ থেকে শুরু পর্যন্ত। এককথায় বইটি অসাধারণ। সবাই একবার হলেও পড়বেন বইটা। আশা করি অনেক ভাল লাগবে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.