প্রাপ্ত বয়স্কদের বই

মনোদৈহিক উপন্যাস PDF Download

আপনারা কি মনোদৈহিক উপন্যাস এর পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করতে চান? তাহলে আপনারা সঠিক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছেন। আমাদের ওয়েবসাইটে কিছু মনোদৈহিক উপন্যাসের সংগ্রহ রয়েছে। আমরা এসকল মনোদৈহিক উপন্যাস পিডিএফ ফাইল আকারে ডাউনলোড করার ব্যবস্থা করেছি। তাছাড়া আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা যে কোন ধরনের বই এর পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

তাই আপনারা যদি মনোদৈহিক উপন্যাস পড়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং আপনার পাঠক মনের তৃষ্ণাকে রিভার নিবারণ করতে চান, তাহলে মনোদৈহিক উপন্যাস ডাউনলোড করে নেন। আমরা আপনাদের জন্য কিছু মনোদৈহিক উপন্যাস এর পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করেছি এবং সেগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। নিচে গেলে আপনারা এ সকল উপন্যাস এর পিডিএফ ফাইল পেয়ে যাবেন।

মনোদৈহিক উপন্যাস এর সংজ্ঞা জানতে চাইলে আমরা তা বলতে পারি। মনোদৈহিক উপন্যাসের দুইটি অংশ হলো মন এবং দৈহিক। মনোদৈহিক উপন্যাস মূলত একটি প্রেমের উপন্যাস হয়ে থাকে। এই উপন্যাসে একজন ব্যক্তি তার প্রিয়তম অথবা প্রিয়তমাকে ভালোবাসার মন থেকে। এখানে প্রিয়তমার শারীরিক বর্ণনা থাকে এবং প্রিয়তোমার সঙ্গে সঙ্গম এর কথা কিছুটা উল্লেখ থাকে।

অর্থাৎ মন এবং দেহ নিয়ে যে ভালোবাসার সৃষ্টি হয় তা এসকল উপন্যাসে সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়ে থাকে। তাছাড়া একটি উপন্যাস যেভাবে শুরু হয় এবং শেষ হয় এ সকল উপন্যাস এর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে চলা হয়। শুধু প্রেমের ক্ষেত্রে মনের এবং দেহের যে সম্পর্ক রয়েছে সেইগুলোই বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়।

সচরাচর আমরা যখন উপন্যাস পাঠ করি তখন দেখতে পাই যে একজন ব্যক্তি তার আপনজনকে মন থেকে ভালবাসছে। এখানে সাধারণত প্রিয়জনরা আপনজনের দেহের কোন অঙ্গ থাকে না। কিন্তু মনোদৈহিক উপন্যাসে দেহের বর্ণণা থাকে এবং কিছু অন্তরঙ্গ ঘটনা উল্লেখ করা হয়ে থাকে। আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা কিছু মনোদৈহিক উপন্যাস পেয়ে যাবেন। আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব এমন একটি মনোদৈহিক উপন্যাসের নাম যার প্রত্যেকটি চরিত্র এবং কাহিনী আমার খুবই ভালো লেগেছে।

এই মনোদৈহিক উপন্যাসটির নাম হল ললিতা। এই উপন্যাসে একজন মধ্যবয়স্ক ব্যক্তি একটি কিশোরী মেয়েকে পছন্দ করেন। মধ্য বয়স্ক ব্যক্তির ভালোলাগার বিষয়বস্তু হল অল্প বয়সের মেয়ে। এই মেয়েকে সেই ভদ্রলোক ভালোবেসে ফেলেন এবং সেই মেয়েও ভদ্রলোককে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু নায়িকার মা বিষয়টি বুঝতে পারে এবং তার মেয়েকে বোর্ডিং স্কুলে পড়তে পাঠাই।

মেয়ের মা তখন সেই ভদ্রলোককে বিয়ের প্রস্তাব দেয় এবং বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। সেই ভদ্রলোক তার প্রেমিকাকে পাওয়ার জন্য প্রেমিকার মাকে বিবাহ করেন। পরবর্তীতে প্রেমিকার মা রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়। ভদ্রলোক নায়িকার বোর্ডিং স্কুলে গিয়ে পৌঁছায়। সেখান থেকে নায়িকা তুলে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হতে থাকে এবং তাদের দৈহিক সম্পর্ক চলতে থাকে। একসময় নায়িকা বড় হয় এবং ভদ্রলোককে ছেড়ে চলে যাই। এতে ভদ্রলোক মনে মনে অনেক কষ্ট পাই। মাঝখানে সেই নায়িকার সঙ্গে ভদ্রলোকের অনেক বছর যোগাযোগ হয় না। অনেক বছর পর ভদ্রলোক যখন চিঠি পায় তখন জানতে পারে যে নায়িকা অন্য একটি লোককে বিয়ে করেছে এবং সে অন্তঃসত্ত্বা।

পরে ভদ্রলোক নায়িকার কাছে কিছু আর্থিক সাহায্য দেয়ার জন্য চলে যাই এবং সেখানে যে অভিব্যক্তি প্রকাশ পায় তা যে কোন পাঠক করলেই কান্না করে ফেলবে। মূলত এই বইটি পশ্চিমা বিশ্বের একটি বই এবং সেই সমাজে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটে। তবে ভদ্রলোকের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এটি সম্পূর্ণ প্রেমের উপন্যাস এবং একটি মনোদৈহিক উপন্যাস। আশা করি আপনারা এ ধরনের বই পাঠ করলে প্রচুর সাহিত্যরস পাবেন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.