উপন্যাস

নলিনী বাবু বিএসসি PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে নলিনী বাবু বিএসসি বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন। যে সকল পাঠক হুমায়ুন আহমেদের বই পড়তে ভালবাসেন তাদের জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে নলিনী বাবু বেশি বইটি ডাউনলোড করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনারা নির্দ্বিধায় আমাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে গিয়ে বইটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

যারা মিসির আলীর গল্প পছন্দ করেন এবং মিসির আলির গল্পের ফিল পেতে চান তাদের জন্য নলিনী বাবু বিএসসি বইটি একটি চমকপ্রদ বই হবে। তাই হুমায়ূন আহমেদ স্যারের অন্যান্য বইয়ের মত নলিনী বাবু বিএসসি বইটির এক নিঃশ্বাসে শেষ করার মত একটি বই। তাই আপনার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া বইটির পিডিএফ ফাইল সংগ্রহ করে নিন এবং আপনার অবসর সময়ে নলিনী বাবু বিএসসি বইটি পড়ে ফেলুন।

নলিনী বাবু বিএসসি বইটি কাকলী প্রকাশনী থেকে সর্বপ্রথম 2010 সালে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ে মোট পৃষ্ঠা রয়েছে 88t এবং বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য 140 টাকা। যারা চাচ্ছেন বইটির হার্ড কপি সংগ্রহ করে পড়বেন তারা তাহলে তাই করতে পারেন। আর যারা বইটি বিনামূল্যে পেতে যাচ্ছেন তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে নিয়ে সমকালীন এই উপন্যাসটি উপভোগ করুন।

নলিনী বাবু বি.এসসি বইটির কাহিনী সংক্ষেপ

বইটিতে লেখক নিজে জড়িত আছেন। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের যখন প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে তখন তিনি সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে বসবাস করতেন। হুমায়ূন আহমেদ স্যার উত্তরার একটি বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন এবং সেই বাসাতে তিনি একা একা বসবাস করতেন। তিনি তাঁর লেখালেখির জগতে ডুবে থাকতেন এবং দৈনন্দিন জীবনের কাজগুলো সম্পাদনা করতেন।

তখনো লেখক এর দ্বিতীয় স্ত্রী অর্থাৎ মেহের আফরোজ শাওনের সঙ্গে বিবাহ হয়নি। বইটির নাম নলিনী বাবু বিএসসি হলেও বইটিতে লেখক তার পারিবারিক কিছু খুচরা কথা এবং মজার মজার গল্প গুলো শেয়ার করেছেন।

নলিনী বাবু ভট্টাচার্য নীলগঞ্জ হাইস্কুলে একজন শিক্ষক। তিনি লেখক হুমায়ূন আহমেদ স্যার কে চেনেন মিসির আলি সিরিজের মাধ্যমে। মিসির আলি সিরিজ পড়ে তিনি জানতে পেরেছেন যে হুমায়ুন আহমেদ স্যার মাছ খেতে পছন্দ করেন। তাই নলিনী বাবু ভট্টাচার্য বাড়ি থেকে আসার সময় স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন পদের মাছ সংগ্রহ করে লেখক এর জন্য আনেন। নলিনী বাবু বিএসসির দেখা করার আরেকটি বিশেষ কারণ আছে। সেই কারণটি হলো লেখক এর সঙ্গে দেখা করে তারা বাস্তবিক এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একটি ঘটনা বলা।

যেহেতু লেখক সম্পূর্ণ একা থাকেন সেহেতু লেখোকের খাওয়া-দাওয়ার ঠিক ঠিকানা নেই। যখন নলিনী বাবু বিএসসি তার বাসায় আসলেন তখন তিনি তাকে সাদরে গ্রহণ করলেন। যেহেতু রান্নার সরঞ্জাম লেখক এর বাড়িতে ছিল না সেহেতু নলিনী বাবু নিজেই গিয়ে রান্না সকল সরঞ্জাম কিনে আনলেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে বসলেন নলিনী বাবুর নিজের গল্প। মিসির আলি সিরিজের যে প্যারানরমাল জগতের কথা আমরা শুনেছি সেই জগতের সঙ্গে অভ্যস্ত নলিনী বাবু ভট্টাচার্য।

তিনি লেখককে বলেন যে, তিনি নাকি দুইটা জগতে বসবাস করেন। তাছাড়া দুইটা জগতে তিনি অনায়াসে চলাফেরা করতে পারেন। এরকম চমকপ্রদ গল্প শুনে লেখক তাজ্জব বনে যাই। তবে তিনি এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে শুরু করে দেন। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন লক্ষ্য করেন যে তার বাড়িতে নলিনী বাবু ভট্টাচার্য আর নেই এবং তিনি চলে গিয়েছেন। হঠাৎ করেই উপন্যাসটি শেষ হয়ে যায় । তাই পাঠকের মনে অনেক প্রশ্ন থেকে যায়। তাই আপনার পাঠক মন যদি এ ধরনের রহস্য রহস্য উপন্যাস পড়তে পছন্দ করে তাহলে আপনি অবশ্যই বইটি পড়ে ফেলতে পারেন।

নলিনী বাবু বিএসসি PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.