সাইন্স ফিকশন

নিলির ভালোবাসা মোশতাক আহমেদ PDF download

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও স্বনামধন্য একজন লেখক হলেন মোশতাক আহমেদ। তিনি সমসাময়িক যুগের একজন সফল লেখক। তার লেখা উপন্যাস গুলো খুব তাড়াতাড়ি মানুষের মনের মনিকোঠায় পৌঁছে গেছে। তিনি তার সৃজনশীল মনোভাব দিয়ে পাঠকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তার লেখা উপন্যাস গুলো বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যোগায়। আমরা জানি বই পড়লে মানুষের মন ভালো থাকে তেমনভাবেই এই লেখকের এর বই পড়লেও মনে এক শান্তির অনুভূতির সৃষ্টি হয়। লেখক মোশতাক আহমেদের অন্যান্য উপন্যাস গুলোর মধ্যে “নিলির ভালোবাসা” অন্যতম।

মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিতি লাভ করে। কর্ম মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে আজীবন। এই লেখকের পেশায় একজন ডিআইজি হলেও লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ অনেক আগে থেকে। তিনি বিভিন্ন উপন্যাস, ভ্রমণ কাহিনী, ভৌতিক উপন্যাস, প্যারাসাইকোলজি উপন্যাস এছাড়াও অনেক জনারের বই লিখেছেন। তিনি পাঠকদের কাছে বেশি সমাদৃত হয়েছেন সাইন্স ফিকশন বইয়ের জন্য।

মোশতাক আহমেদের এক অনন্য সৃষ্টি হলো “নিলির ভালোবাসা”। এই বইটি মূলত সাইন্স ফিকশন। বইটি প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয় 2016 সালে। বইটি প্রকাশ করে অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 272 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মূল্য হল 344 টাকা।

কাহিনী সংক্ষেপ:

এই উপন্যাসটি লেখক এর অন্যান্য সাইন্স ফিকশনের থেকে আলাদা। এই বইটিতে একটি মেয়ের ভালোবাসার কথা তুলে ধরা হয়েছে। গল্পটি কাল্পনিক হলেও বাস্তবতার সঙ্গে অনেক মিল পাওয়া যায়। চলুন, মূল গল্পে আসা যাক।

নিবো অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে একটি মেয়ের দিকে। মেয়েটির টানা টানা চোখ, টিকালো নাক, লম্বা চুল। মেয়েটিকে অদ্ভুত সুন্দর লাগছে দেখতে। সবথেকে যে জিনিসটি তার বেশি সুন্দর লাগছে সেটি হলো শরীরের হালকা সবুজ রঙের কারণেই। যখন মেয়েটির কণ্ঠে শুনল এবং নাম জানতে পারল মিলি তখন আরও বিস্মিত হল সে। একজন মেয়ের কন্ঠ এত সুন্দর হয় কিভাবে? নিলি কিছুতে বিশ্বাস করতে পারছিল না।

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নতুন রূপে নিলিকে দেখে চমকে উঠল নিবো। অন্য‌ সময় সে সোনালী হয়ে থাকে। সোনালী নিলি সবুজ নিলির থেকে অনেক সুন্দর । এত সুন্দর যে শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে লাল, নীল, সবুজ নামের উপগ্রহে। নিবো যখন নিলির সঙ্গে জিজিল উপগ্রহ থেকে অন্য জিজিলের দিকে ঘুরে বেড়াতে ব্যস্ত তখন তাদের পাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায় মিমিচূন গ্রহের উন্নত বুদ্ধির রোবটেরা।

নিলিকে জিজিল থেকে দূরের কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দিতে চায়। আর তারা শর্ত দেয় নিলিকে খুঁজে বের করতে হবে নিবো কে। কারণ জিজিল গ্রহে নিবোর বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। এদিকে নিবো কে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে নিলি। একটার পর একটা কৌশল অবলম্বন করতে থাকে সে। রোবটদের কাছে সব গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। এইজন্য তাদের শাস্তি স্বরূপ দুজনকে আলাদা করে দেয়া হয়।

শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল নিবো আর নিলির জীবনে? আবার কী তারা ফিরে পেয়েছিল আনন্দ ও ভালোবাসায় ভরা জিজিলের রঙিন জীবন? নাকি তারা সব হারিয়ে ফেলে মহাশূন্যের নিকষ অন্ধকারে? জানতে হলে অবশ্য এই বইটি পুরোটা পড়তে হবে। অন্যান্য সায়েন্স ফিকশনের কাহিনী থেকে এই কাহিনীটি অনেক ভালো। একটু ব্যতিক্রম ধরনের। তাই আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি বইটি পড়ে ফেলুন। অবশ্যই ভালো লাগবে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *