উপন্যাস

নীল জোছনার জীবন মোশতাক আহমেদ PDF download

বাংলাদেশের স্বনামধন্য একজন লেখক হলেন মোশতাক আহমেদ। তার লেখা সবগুলো উপন্যাস সবার কাছে অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। তিনি বরাবর পাঠকদের বোধগম্য উপন্যাস রচনা করেন। তার রচিত সবগুলো উপন্যাস, গল্প সবাই খুব সাদরে গ্রহণ করেছে। তিনি তার লেখায় বরাবর সহজ, সরল ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করেন। তাঁর উপন্যাসের মধ্যে কল্পনার পাশাপাশি বাস্তবতার ছোঁয়া পাওয়া যায়। তিনি ছোট থেকে বড় সব বয়সী পাঠকদের জন্য বই রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস এর মধ্যে “নীল জোছনার জীবন” উল্লেখযোগ্য।

মোশতাক আহমেদ পেশায় একজন ডিআইজি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তাঁর বই পড়ার প্রতি অনেক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। মূলত সেখান থেকেই তার লেখালেখির শুরু হয়। সবদিক দিয়ে মোশতাক আহমেদ কে একজন সফল কবি হিসেবে ধরা যায়। কারণ তাঁর রচিত ভ্রমনকাহিনী,উপন্যাস,প্যারাসাইকোলজিকাল উপন্যাস, গল্প, ভৌতিক কাহিনী, সাইন্স ফিকশন সবগুলো সবার কাছে অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। অনেক পাঠকরাই আছে যারা হুমায়ূন আহমেদের পরের স্থানটি তাকে দিয়েছে।

“নীল জোছনার ছায়া” মোশতাক আহমেদের একটি জনপ্রিয় ও নামকরা প্যারাসাইকোলজিকাল উপন্যাস। বইটি প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয় 2015 সালে। বইটি প্রকাশ করে অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 126 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 258 টাকা।

কাহিনী সংক্ষেপ:

বইটির নাম শুনে হয়তো অনেকেই এটাকে প্রেম কাহিনী বলে মনে করবেন কিন্তু এটি একটি চমৎকার প্যারাসাইকোলজিকাল উপন্যাস। লেখক এখানে একটি মেয়ের জীবন কাহিনী তুলে ধরেছেন। আমি গল্পের সামান্য অংশ তুলে ধরব বাকিটুকু অবশ্যই আপনারা বই পড়ে জেনে নেবেন।

উপন্যাসটিতে যে মেয়েটির কথা বলা হয়েছে সেই মেয়েটির নাম হলো লায়লা। যে মেয়েটি একজন ইএসপি। লায়লা একদিন স্বপ্নে দেখতে পায় তার ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু হবে। লায়লা ভবিষ্যৎ বলতে পারা ক্ষমতার অধিকারী ছিল। লায়লা যখন এ কথাটি তার স্বামীকে বলে তার স্বামী কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায় না। কারণ সে লায়লাকে অনেক ভালোবাসে, যদিও লায়লা বারবার করে বলছে সে নীল জোছনার জীবন থেকে জানতে পেরেছে যে তার মৃত্যু হবে ফাঁসিতে।

লায়লার স্বামী আমিন জানে লায়লা নিউ জোছনার জীবন থেকে যেইটাই জেনে যায় সেটাই সত্য হয় কিন্তু তার পরেও তার মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে যে লায়লার ফাঁসিতে মৃত্যু হবে। লায়লা তো কোনো অপরাধ করেনি তাহলে কেন তার ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু হবে এটাই তার স্বামী ভেবে পাচ্ছে না। আমিন লায়লা কে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে পড়ে। সে এই ঘটনার সমাধানের জন্য মনোবিজ্ঞান ডাক্তার তরফদার এর কাছে যান।

তরফদার লায়লার বিষয়টি শুনে প্রথম দিনে চেষ্টা করেন লায়লাকে মিথ্যে প্রমাণ করার জন্য। কিন্তু তার এই কাজটিতে বাধা প্রদান করে লায়লা সৃষ্ট একটি সুরের গান। এই সুরের গান এর রহস্য খুঁজতে গিয়ে তরফদার হারিয়ে যেতে থাকেন নীল জোছনার জীবন নামক রহস্যময় এক জীবনে। যে জীবন লায়লাকে ভবিষ্যৎ বলার ক্ষমতা দিয়েছে। ডাক্তার তরফদার অনেকবার চেষ্টা করেন এই জীবন থেকে লায়লাকে বের করে আনার।

কিন্তু যতবার চেষ্টা করে ততবারই তার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ধীরে ধীরে লায়লা ধাবিত হচ্ছে ফাঁসির দিকে। শেষ পর্যন্ত কী লায়লাকেবাঁচাতে পেরেছিল ডাক্তার তরফদার? নীল জোছনার জীবনটাই বা কী? এইসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে অবশ্যই আপনাদের পুরো বইটা পড়তে হবে। চমৎকার এই বইটি আর দেরি না করে পড়ে ফেলুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *