গল্প

অনীশ PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

যারা হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসেন, যারা হুমায়ুন আহমেদের বই পড়তে ভালবাসেন তারা আমাদের ওয়েবসাইটে সকল বই পেয়ে যাবেন। আমাদের ওয়েবসাইটে সকল বইয়ের পিডিএফ ফাইল দেওয়া আছে। আপনারা চাইলে খুব সহজেই এবং সম্পূর্ন বিনামূল্যে হুমায়ূন আহমেদের সকল বই পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।

আপনারা সকলেই জানেন যে, হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলি সিরিজ টা সকলের কাছে জনপ্রিয় একটি সিরিজ। আপনারা মিসির আলি সকল বইয়ের পিডিএফ ফাইল আমাদের এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন। আজকে আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা পেয়ে যাবেন সিরিজের অন্যতম একটি বই “অনীশ।”

অনীশ হুমায়ূন আহমেদ

অনীশ বইটি মিসির আলি সিরিজের একটি বই। এ বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ষাটটি। অনুপম প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য ১৬০ টাকা। তো যারা বই সংগ্রহ করতে পারেননি, কিন্তু বইটি পড়তে আগ্রহী, তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমাদের ওয়েবসাইটে অনীশ বইটির সংক্ষিপ্ত কাহিনী দেওয়া আছে। আপনারা সেটি জেনে নিতে পারবেন খুব সহজেই।

অনীশ পিডিএফ ডাউনলোড

অনীশ বইয়ের পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারবেন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে। আমাদের ওয়েবসাইটে কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ডাউনলোড করে নিন। হুমায়ূন আহমেদের মিসির আলি সিরিজের অনীশ বইটির সংক্ষিপ্ত কাহিনী তুলে দেওয়া হল।

মিসির আলি সাহেব অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার অসুস্থতা লিভারের সমস্যা কেন্দ্রিক। তিনি একটি ফাঁকা রুম চাওয়াতেই ডাক্তার তাকে একটি ফাঁকা রুম দিয়ে দেয়। রুমটির নাম্বার ৪০৯। তিনি সেই রুমে কিছু অদ্ভুত জিনিস লক্ষ্য করেন। আসলেই মিসির আলীর মন কৌতুহলী মন।

তাই তিনি খুব সহজেই আশেপাশের পরিবর্তনটা ধরতে পারেন। ডাক্তার এসে তার খোঁজ-খবর নিয়ে যাই। একদিন বড় ডাক্তারের তাকে অনুরোধ জানাই যেন তিনি এই ঘরটা ছেড়ে দেন। কারণ এই রুমে বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা থাকতে চাচ্ছেন।

কারণ এর নাম্বারটা তার অনেক পছন্দ হয়েছে। কিন্তু মিসির আলি সাহেব সেই রুম চাওয়ার কারণ জানতে চাওয়াতে কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই জানতে পারেননি। মিসির আলি কুসংস্কারকে কখনোই প্রাধান্য দেন না। তিনি সেই মহিলার সঙ্গে কথা বলেন। মহিলা প্রথমে তার কাছে ছদ্মনাম প্রকাশ করলেও, পরবর্তীতে আসল নাম প্রকাশ করে তার নাম রূপা খান। যিনি বর্তমান সময়ের একজন নামকরা চিত্রনায়িকা।

চিত্র নায়িকা হওয়ার শর্তে রুপা খান যথেষ্ট সুন্দরী। কিন্তু মিসির আলী সাহেব তার সৌন্দর্যকে পাত্তা দেয়নি। আর মিছির আলীর বুদ্ধিমত্তা এবং পাত্তা না দেওয়ার কারণ মেয়েটিকে আকর্ষিত করে। রুপা খান মিসির আলীর কাছে আসে এবং স্বীকার করে যে তার একটি গুরুতর অপারেশন হতে যাচ্ছে।

যদি সে অপারেশনে বেঁচে থাকে তাহলে, তাকে একটি খাতা দেওয়া হয়, সেই খাতাটি পড়তে পারবে। তো মিসির আলি ওই নায়িকাটির অপারেশন শেষ হওয়ার পর খাতাটা গ্রহণ করে। মিসির আলী হাসপাতাল থেকে রিলিজ পেয়েছেন। হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তার অনুরোধে তিনি তার গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান।

সেখানে রুপা খানের লেখা খাতাটি খুলে বসেন। সেখানে রুপা খান সম্পর্কে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসে। রুপা খান শৈশব থেকেই পিতৃহীন একজন কন্যা। মায়ের ছায়াস্পর্শে বড় হয়েছে রুপা খান। কিন্তু সব সময় মা তাকে আগলে রাখতেন। কোন ধরনের বাহ্যিক কাজ করতে দিতেন না।

কারো সাথে মিশতে দিতেন। এই পরিবেশের উপাদান বড় হতে থাকে। একদিন মায়ের শৃংখল থেকে রুপা খান মায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পাঁচ দিন পর বাড়িতে আবার ফিরে আসে। তখন বাড়িতে একটি অনাগত লোকের দেখা পায়।

সে ছেলেটির সঙ্গে তার মা তার বিয়ে ঠিক করে। সে লোকটির নাম জয়নাল হোসেন। বিয়ের পর খুব সুখের সংসার চলছিল। কিন্তু রুপা খান যখন অন্তঃসত্ত্বা হয় তখন তার স্বামী অস্বীকার জানায়। তিনি বলেন যে এই সন্তানের বাড়ির বাইরে থাকার ফলে সেই সন্তান। তিনি তা গ্রহণ করতে চাননি।

পরবর্তীতে যখন সন্তান জন্মগ্রহণ করে তখন সন্তান খুবই দুর্বল হয়ে জন্মগ্রহণ করে। একসময় তার সন্তান মারা যায়। কিন্তু সন্তান মারা যাওয়ার পর রুপা খান বারবার তার সন্তানের কান্না এবং কিছুদিন পর মা ডাক শুনতে পায়। তার সন্তানকে খুঁজতে থাকে। তখন মিসির আলি খাতা সম্পর্কে যা জানার তা জেনে যায়। রুপা খানকে মিসির আলি জানায় যে তার সন্তান এখনো বেঁচে আছে। হয়তো আশেপাশে খোঁজ করলে পেয়ে যাবে।

গল্পের শেষে আমরা জানতে পারি যে রুপা খানের সন্তান বেঁচে ছিল। অর্থাৎ তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল, সংসারের সুখ ফিরিয়ে আনার জন্য। এভাবেই অনীশ উপন্যাসটি শেষ হয়।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *