ছোট গল্প

অভাগীর স্বর্গ PDF Download শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

অভাগীর স্বর্গ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছোট গল্প পিডিএফ
“অভাগীর স্বর্গ” শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় ছোট গল্প। এই গল্পটি মূলত এক দুঃখী ও অভাগী মায়ের গল্প যে কিনা সাধারণ নিম্নবিত্ত হিন্দু ঘরের বধূ যে মরন কালে সামান্য চিতায় উঠার সৌভাগ্য টুকুও পাইনি। সেই অভাগী বধূটি কোনদিনও স্বামীর ভালোবাসা পায়নি। এই কারণেই হয়তো গল্পটির নাম অভাগীর স্বর্গ।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই ছোটগল্পটি একটি হৃদয়বিদারক গল্প পাঠকের চোখে অশ্রু এনে দিতে বাধ্য করবে। সুন্দর এই ছোট গল্পটি আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে এসেছি ছোট গল্পটির পিডিএফ ডাউনলোড লিংক ও অনলাইনে পড়ার সুবিধা। এখান থেকে পিডিএফ ডাউনলোড করে আপনি নিজে পড়তে পারেন কিংবা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন এই সুন্দর ছোট গল্পটি। তাই গল্পটি পেতে ও পড়ার জন্য ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইটে।

শরৎচন্দ্রের সাহিত্যের মূল ধারায়, উপন্যাসের পাত্র-পাত্রী পল্লী সমাজের নিম্নবিত্ত গরিব অবহেলিত নারী পুরুষ। বিশেষ করে অবহেলিত নারীরা যারা সংসার জীবনে ও ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অবহেলা, ভালবাসাহীনতা, উদাসীনতা ও নিগৃহীত শিকার। তেমনি অভাগীর স্বর্গ গল্পটিতে অভাগী যতদিন পর্যন্ত জীবিত ছিল তার স্বামী তাকে অত্যন্ত অত্যাচার এবং মারধর করতো।

কোনদিনও সে সামান্য ভালোবাসাটুকু এমনকি সম্মানটুকুও পায়নি। কিন্তু মরন কালে সেই অভাগী যখন মৃত্যুশয্যায় ঠিক তখনই তার স্বামী তার জন্য অশ্রুতে বুক ভাসিয়েছিল। হয়তো মরন কালে তার স্বামী তার জন্য কেঁদে ছিলো কিন্তু সারাটা জীবন সে অভাগী হয়েই দিন পার করেছে ও সংসার জীবনে ব্যর্থতা নিয়ে পরপারে চলে যায়।

তবুও অভাগী স্বপ্ন দেখতো মরার পর সে সসম্মানে চিতায় উঠবে এবং স্বর্গে পদার্পণ করবে। তার আঙিনার বেল গাছটি কেটে তাকে দাহ করতে চাইলে জমিদারের লোকজন বাঁধা দেয় এবং অভাগীর ছেলেকে বলে যে তার মায়ের মত ছোটলোকের চিতায় ওঠার স্বপ্ন নিতান্তই অবাঞ্চিত ছাড়া আর কিছুই নয়।

অভাগীর ছেলেকে জমিদার বলে যে নদীর ধারে অভাগী কে নিয়ে যেন মুখের সামনে কিছুটা খড়ের আগুন ছুঁয়ে দিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। তবু খরের আগুনের সামান্য ধোয়া যখন আকাশের দিকে উঠে যায় সেইটুকু ধোয়ার রথে চড়েই যেন স্বর্গে যায় অভাগী।

অভাগীর স্বর্গ PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *