ইসলামিক বই

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ PDF Download আরিফ আজাদ

আরিফ আজাদের অন্যতম জনপ্রিয় বই প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পিডিএফ ভার্সন আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে বইটি ডাউনলোড করতে পারবেন এবং অনলাইনেও পড়তে পারবেন।

সবার আগে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইয়ের রিভিউ দেখে নেয়া যাক।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বই রিভিউ

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ এর লেখক আরিফ আজাদ। আরিফ আজাদের জন্ম স্থান চট্টগ্রাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাঁর লেখার হাতে খড়ি। তিনি ধর্মতত্ত্ব নিয়ে লিখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

2017 সালে একুশে বই মেলায় প্রথম প্রকাশিত হয় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ। বইটি পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে এবং সর্বস্থানে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। অবিশ্বাসীদের মনে বিশ্বাস এর ছোঁয়া এনে দেওয়ায় তার প্রধান কাজ। তিনি একজন অনলাইন এক্টিভিস্ট।

বর্তমান যুব সমাজের অবক্ষয়, সৃষ্টিকর্তার বিশ্বাস থেকে দূরে থাকা, সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয় তা নিয়ে তিনি যুক্তিমূলক ব্যাখ্যা করেন। গার্ডিয়ান প্রকাশনীর প্রকাশক তার লেখার সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বর্তমান সমাজের সাথে সঙ্গতি রেখে তিনি এই লেখাটি প্রকাশের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস অর্জনের এক সুদীর্ঘ পথ সুগম করেছেন।বিভিন্ন পাঠক আরিফ আজাদের এই প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বই এর জন্য ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

আধুনিক বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ এবং যুক্তিবাদের উপর নির্ভর করে যারা সৃষ্টিকর্তা এবং সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে নেতিবাচক প্রভাব প্রকাশ করেছেন তাদেরকে নিয়ে লেখা হয়েছে এ বইটি।গতানুগতিক কাঠখোট্টা আলোচনা এবং তত্ত্ব কথা বাদ দিয়ে তিনি বইটি লিখেছেন গল্পের ধাচে যাতে সাধারণ পাঠক বিষয়গুলো যুক্তি সহকারে পড়তে পারে এবং বুঝতে পারে এবং নাস্তিকদের হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে পারে।

অধ্যায়ভিত্তিক ভাবে গল্পের আকারে বইটি সাজানো হয়েছে। পাঠকদের অবগতির জন্য প্রথম অধ্যায়ের অংশবিশেষ তুলে ধরা হচ্ছে। প্যারাডক্সিক্যাল এর কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদ প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাতনামা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি একজন ছাত্র।প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সে সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস এবং সৃষ্টিকর্তার নির্ধারিত কাজগুলো ঠিকঠাক মতোই পালন করত।

কিন্তু পারিপার্শ্বিক পরিবেশ এবং সমাজ ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস গুলো তার ভেতরে মলিন হতে থাকে।তার বন্ধু যখন তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন দ্বারা জর্জরিত করতে থাকে তখন সাজিদ জানায় যে সৃষ্টিকর্তা এটা মানুষের একটি নিছক কল্পনা মাত্র।

বাস্তবের সৃষ্টিকর্তা বলে কোন অস্তিত্ব নেই। কিন্তু বন্ধুর উত্তর গুলোতে তার জ্ঞান ফিরতে থাকে।বন্ধু বোঝাতে থাকে যে বিজ্ঞান এবং ধর্ম দুটোই আলাদা বিষয়। অনেক বিষয় আছে যা বিজ্ঞান দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় না ।

কিন্তু তা ধর্ম দিয়ে আলোচনা এবং বিশ্লেষণ করা যায়।উদাহরণস্বরূপ বন্ধুটি সাজিদকে বলে যদি তোর গার্লফ্রেন্ডকে ধর্ষণ করা হয় তাহলে সে এটা কিভাবে বিজ্ঞান দিয়ে বিশ্লেষণ করবে??আসলেই তো ধর্ষণের মতো একটি বিষয় বিজ্ঞান দিয়ে কিভাবে বিশ্লেষণ করবে এবং এর শাস্তি কিরূপ হতে পারে তা কিভাবে বিচার করবে??

প্রিয় পাঠক এখানেই মজার বিষয় হলো যে ধর্ম দ্বারা আপনি এই বিষয়টিকে সুন্দর ভাবে বিশ্লেষণ এবং আইনত ব্যবস্থা নিয়ে তার বিচার করতে পারবেন। আবার আপনি যে আপনার বাবা-মায়ের আসল ঔরসজাত সন্তান কিনা তার যেমন প্রমাণ আপনার কাছে নেই তেমনি যদি আপনি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব খুঁজতে চান তাহলে এটা নিছক বোকামি মাত্র।

তাই সৃষ্টিকর্তার বিষয়ে কোন প্রশ্ন না তুলে তাকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করা এবং তার পথ দেখানো নির্দেশিত পথে কাজ করাই হলো একজন মুসলমানের প্রকৃত ধর্ম। আবার আমরা অনেকেই বলে থাকি সৃষ্টিকর্তা যেহেতু সবকিছু রক্ষণাবেক্ষণকারী সেহেতু আমরা যদি কোন খারাপ কাজ করি তাহলে তার ক্রেডিট কেন সৃষ্টিকর্তা নেবেন না??

এই প্রশ্নের উত্তরে সাজিদ বলেছে যে কোন একজন বিজ্ঞানী যদি ভালো কিছু একটা সৃষ্টি করলো আর সেটা যদি মানুষ কোন অপকল্যাণে ব্যবহার করে তাহলে তার দায়ভার কি বিজ্ঞানী নেবে ? তেমনি সৃষ্টিকর্তা কোন খারাপ কাজের দায়ভার নেবে না।

সৃষ্টিকর্তা, সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট বস্তু এবং সৃষ্টিকর্তার বাণী পবিত্র আল-কোরআনের প্রতি বিশ্বাস আমাদের রাখতে হবে। পৃথিবীর যাবতীয় সমস্যার সমাধান আল-কোরআন ।অনেকেই বলে কিসের মাধ্যমে আর কোরান থেকে সব সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে। বলে এই পবিত্র কোরআনকে অনেকেই ক্ষুদ্র হিসেবে প্রতিপন্ন করে ।

অথচ পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে বলা আছে যদি তোমরা এখান থেকে তা না পাও তাহলে অন্য কোথা থেকে তা সংগ্রহ করো। তাহলে তা স্পষ্ট যে যাবতীয় সমস্যার সমাধান পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে।

বইটিতে” একজন বিশ্বাসীর র কথা ,তকদির বনাম স্বাধীন ইচ্ছা -স্রষ্টাকে এখানে বিতর্কিত, স্রষ্টা কেন মন্দ কাজের দায় নেন না, শূন্য থেকে স্রষ্টার দূরত্ব, তাদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন-আসলেই কি তাই, মুশরিকদের যেখানে পাও হত্যা করে অতঃপর, স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো, একটি সাম্প্রতিক আয়াত এবং, কোরআন কি সূর্যকে পানির নিচে ডুবে যাওয়ার কথা বলে, মুসলমানদের কুরবানী ঈদ এবং একজন মাতব্বরের অযাচিত মাতব্বরি, আল-কুরআন কি মানব রচিত, রিলেটিভিটির গল্প, কোরআন আকাশ ছাদ এবং একজন ব্যক্তির মিথ্যাচার, স্রষ্টা যদি দয়ালুই হবেন তবে জাহান্নাম কেন, কোরআন এর মতে পৃথিবী গোলাকার না সমতল, কোরানে বিজ্ঞান কাকতালীয় না বাস্তবতা , রাস্তা কি এমন কিছু বানাতে পারে যেটা নিজেই তুলতে পারে না, ভেলকিবাজির সাতকাহন ইত্যাদি শিরোনামে বইটি রচিত।

যুগে যুগে কিছু নাস্তিকের মুখে ফুটে ওঠা প্রশ্নের সমাধান গুলো আরিফ আজাদ গল্পের ধাচে দিয়েছেন যা পাঠকসমাজে এক তুমুল জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন তাকে।নাস্তিকদের পশ্চাৎ আঘাত করে আরিফ আজাদ অনেক দূরে সরিয়ে দিয়েছেন এবং অনেক অবিশ্বাসীর মনে বিশ্বাসের দেয়াল গড়ে তুলেছেন যা তাদের বর্তমান অর্থাৎ ইহকাল এবং পরকালে দুই জগতে তাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

প্রিয় পাঠক আপনি যদি স্রষ্টা বিষয়ে বিমুখ হন এবং স্রষ্টার বাণী সম্পর্কে বিমুখ হন তাহলে বইটি আপনার জন্য। বইটি পড়ে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন এবং অনেক কিছু বুঝতে পারবেন যা আপনার মনের অবিশ্বাস গুলো দূর করে দিবে এবং আপনি হয়ে উঠবেন একজন পরিপূর্ণ সাজিদ।বই পড়ুন বই ,প্রিয়জনকে উপহার দিন ।

বইয়ে বইয়ে আপনার মনের অন্ধকার গুলো হয়ে উঠুক একটি আলোকিত লাইব্রেরী।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পিডিএফ ডাউনলোড

আপনারা জানেন সকল ধরনের ইসলামিক বই আমাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। ইসলামিক বই পড়ুন এবং নিজের জীবনকে গড়ুন।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বই ডাউনলোডের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অভিনন্দন। ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত হন। আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.