উপন্যাস

পেন্সিলে আঁকা পরী PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

হুমায়ুন আহমেদ হলেন বাংলাদেশের বিখ্যাত উপন্যাসিক। তাঁর রচিত অসাধারণ একটি উপন্যাস হলো ‘পেন্সিলে আঁকা পরী ‘। হুমায়ূন আহমেদের রচনাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল 1995 সালে। বইটির প্রকাশনা করেছেন প্রতীক প্রকাশনা সংস্খা। বইটির 14 তম সংস্করণ হয় 2012 সালে। বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা 164 টি। বইটির বাংলাদেশি মুদ্রিত মূল্য 200 টাকা। এই বইটির অনলাইন পিডিএফ সাইজ ০8 এমবি।

হুমায়ূন আহমেদের এই বইটি একটি সমকালীন উপন্যাস। পুরো বই জুড়ে রয়েছে কান্না, হাহাকার আর বিষাদের গল্প। পাঠকরা এই বইটি পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। অসাধারণ এই উপন্যাসটি যারা এখনো পড়েননি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে তারা তাড়াতাড়ি বইটি পড়ে ফেলুন।

পেন্সিলে আঁকা পরী উপন্যাসের মূল কাহিনী

উপন্যাসের মূলত কেন্দ্রীয় চরিত্র দুটি। তারা হল মোবারক সাহেব আর টেপী। তারা দুজনে দুই শ্রেণীর মানুষ। একজন উচ্চবিত্ত শ্রেণীর আর আরেকজন একেবারে বস্তি থেকে আসা মেয়ে টেপী। তাদের জীবনের গল্প নিয়ে এই উপন্যাসটি রচিত হয়েছে। মোবারক সাহেব অনেক ধনী লোক হওয়া স্বত্বেও তার জীবনে কোন সুখ শান্তি নেই। অর্ধবয়স্ক এই লোকটির জীবনে কোন সুখ শান্তি নেই।

তিনি মানসিকভাবে ভীষণ বিপদগ্রস্ত। তিনি মনে করেন তার মন মরে গেছে। তার মন মরে গেছে বিভিন্ন কারণে। তাকে দেখে বাইরে থেকে সুখি মনে হলেও তিনি ভেতরে ভেতরে ভীষণ একলা। তিনি মানসিকভাবে ভালো থাকার জন্য বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িত থাকেন। একদিন টেপী নামের একটি মেয়েকে বিছানায় নিয়ে আসেন।

টেপীকে এই উপন্যাসে ৩টি চরিত্রে দেখা যায়। একসময় দেখা যায় রেশমা চরিত্রে, আবার দেখা যায় মিতু চরিত্রে আবার কখনো দেখা যায় টেপী চরিত্রে। টেপী পরিবারের বড়ো মেয়ে মা বাবা মারা যাওয়ার পর তাকে সংসার চালানোর দায়িত্ব নিতে হয়। তার ভাই জেলে যাওয়ার পর সে এফডিসিতে সামান্য একজন এক্সট্রাকটের চাকরি করে। তার তার পরিচয় হয় রেশমা। সে রেশমা নাম নিয়ে এফডিসিতে চাকরি করে। সেই টাকা দিয়ে যখন চলে না তখন তাকে যেতে হয় কোন বড়োলোকের বিছানায়।

এমনি একদিন তাকে যেতে হয় মোবারকের বিছানায়। সবচেয়ে মজার বিষয় হল মোবারক আর টেপী এক বিছানায় থাকা সত্বেও তারা কেউ কারো নাম জানে না। মোবারক তাকে নাম জিগ্যেস করলে সে বলে তার নাম টেপী। মোবারক তার নাম শুনে অবাক হয়ে যায় যে এইরকমও মানুষের নাম হয় নাকি। মোবারক সাহেব সেইদিনের পর টেপীর মধ্য কিছু একটা খুঁজে পান। তিনি টেপীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন। তারপর টেপীকে তার ভালো লাগতে শুরু করে। সে টেপীর কাছাকাছি আসার চেষ্টা করে।

এই উপন্যাসের পুরো গল্প জুড়ে রয়েছে শুধু বিষাদময় ঘটনা। প্রতিটি চরিত্র শুধু কষ্টের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়। এরপর টেপীকে পাওয়া যায় মিতু চরিত্রে। সে মবিন নামের একটি ছেলেকে ভালোবাসে। মবিনের কাছে সে মিতু নামের একটি মেয়ে। মবিনও তাকে ভালোবাসে। তারা একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চায়।

কিন্তু তাদের অভাবের কারণে তারা একসাথে হতে পারেনা। কিন্তু মবিন যখন তার আরো দুটি চরিত্রের কথা জানবে তখন কি মবিন মিতুকে মেনে নিবে। এইসব চিন্তা ভাবনাও সে মনে মনে করে। শেষ পর্যন্ত তাদোর কি পরিণতি হয় সেসব জানতে হলে এই উপন্যাসটি পড়তে হবে।

পেন্সিলে আঁকা পরী PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.