থ্রিলার

ফিনিক্স PDF Download জাহিদ হোসেন

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একজন লেখক হল জাহিদ হোসেন। “ফিনিক্স” তাঁর রচিত একটি অসাধারণ থ্রিলার উপন্যাস। জাহিদ হোসেন বরাবরই থ্রিলার পাঠকদের কাছে অতি পরিচিত মুখ। তার উপন্যাসগুলোতে তিনি ছোট ছোট বিষয়গুলোকে অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেন, যেন সমস্ত কিছু চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তার লেখাগুলোতে হিউমার গুলো বেশ প্রবলভাবে উপস্থাপন করা হয়।

ফিনিক্স জাহিদ হোসেনের একটি থ্রিলার উপন্যাস। বইটি প্রকাশ করা হয় বাতিঘর প্রকাশনী থেকে। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় 2016 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 288 টি বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 189 টাকা অসাধারণ এই বইটি এখনো যারা সংগ্রহ করতে পারেননি তারা আর দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বিনামূল্যে বইটি ডাউনলোড করে পড়ে ফেলুন।

কাহিনী সংক্ষেপ

এই উপন্যাসে লেখক দুটি প্লট এর মাধ্যমে রহস্যের জাল ভেদ করতে চেয়েছেন। দুটি পল্ট কে লেখক এমনভাবে সাজিয়েছেন যেটা পাঠকদের কাছে অনেক আকর্ষণীয় মনে হবে। এই উপন্যাসের বর্নন ভঙ্গিতে অনেক অভিনবত্ব পাওয়া যাবে।

এই উপন্যাসে আমরা দুটি খুনের রহস্য কিভাবে তদন্ত করা হয়েছিল সেটা দেখতে পাবো। লেখক ওবায়েদ রহমান এর একমাত্র ছেলে ইশতিয়াকের এক সপ্তাহ ধরে কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না তাকে কারা যেন কিডন্যাপ করেছে।

ইশতিয়াকের ভালো বন্ধু ছিল ইফতি। ইফতিদের ছিল সুখী পরিবার। ইফতির বাবা ব্যাংকে চাকরি করতো। হঠাৎ করেই ইফতি খবর পায় তার বন্ধু কে অপহরণ করা হয়েছে। ইশতিয়াকের বাবা লেখক যেহেতু তাকে অপহরণ করাটা অস্বাভাবিক নয়। ইশতিয়াক কে যারা অপহরণ করেছে তারা তার বাসায় একটা আঙ্গুল পাঠিয়েছে। আঙ্গুলটা ইশতিয়াকের।

আঙুলের সাথে সাথে তারা একটা সিডিও পাঠিয়েছে। যেখানে ইশতিয়াক আঙ্গুল কাটার সময় কেমন প্রতিক্রিয়া করছিল সেটারই এক বীভৎস ভিডিও পাঠিয়েছে। এই সিডিটা যে একবার দেখবে সে দ্বিতীয়বার আর দেখতে চাইবে না কারণ এতটাই মর্মান্তিক সেই ভিডিওটা। ইফতি এবং ইশতিয়াকের পরিবার যখন এই ঘটনাটার কোনো কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছিল না তখন একজন গোয়েন্দা শরণাপন্ন হয় তারা।

এই খুনের জন্য ডাক দেয়া হয় মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের অবসরপ্রাপ্ত গোয়েন্দা আলিরেজা বখতিয়ার কে। সে প্রথমে সে ভিডিও টা ওপেন করে এবং দেখে একজন হেলমেট ধারী লোক গুনগুন করে কিছু একটা বলছিল, তারপর হঠাৎ করেই চাপাতিটা দিয়ে ইশতিয়াকের কড়ে আঙ্গুল কেটে ফেলে। রহস্য সমাধানের জন্য আলি রেজার সাথে সাথে ইশতিয়াকের দুই বন্ধু রোমেল ও ইফতি দুজন ও মাঠে নেমে পড়ে।

রহস্যের সমাধান করতে করতে আলিরেজা এমন কিছু সত্যের সম্মুখীন হয় যেটার জন্য তারা প্রস্তুত ছিল না। কে ইশতিয়াককে কিডন্যাপ করেছিল? কে সেই হেলমেট ধারী লোক? সব কিছুর উত্তর জানতে হলে বইটি পড়তে হবে।

উপন্যাসের দ্বিতীয় প্লটে আমরা দেখতে পাই আরেকটা খুন। মুরাদপুর শান্তশিষ্ট একটি গ্রাম কিন্তু এখন যেটা পিশাচপুরীতে পরিণত হয়েছে। সেখানকার একজন শিক্ষকের লাশ পাওয়া গেছে পুকুরে। খুনের তদন্ত করার জন্য খবর দেয়া হয় ডিবির এলিট ফোর্সের উদীয়মান তুর্কি সায়েম সোবহান কে।

কিছুদিন আগে দসকানীর মাথা কেটে কোলে বসিয়ে রেখে ছিল দুর্বৃত্তরা। কারা এরা? এইসব খুনের সাথে ইশতিয়াক এর খুনের কি কোন যোগসূত্র আছে? সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তারা হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিল। গল্পটি এক কথায় অসাধারণ। আপনারা পড়তে লাগল বইটি শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। তাই আর দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বইটি পড়ে ফেলুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.