উপন্যাস

প্রিয়তমেষু PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

বাংলাদেশের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত অসাধারণ একটি উপন্যাস হল ‘ প্রিয়তমেষু ‘। হুমায়ুন আহমেদের অন্যান্য উপন্যাস গুলোর মধ্যে এটি একটি অন্যতম উপন্যাস। অসাধারণ এই বইটি রচিত হয়েছে ১৯৮৮ সালের জুন মাসে। বইটির ৩য় সংস্করণ হয় ২০১২ সালে। বইটি প্রকাশিত হয় মওলা ব্রাদার্স প্রকাশনী থেকে। বইটি শক্তমলাটে ছাপা হয়েছে। বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ৮৮ টি। বইটির বাংলাদেশি মুদ্রিত মূল্যঃ ১৬০ টাকা। বইটির অনলাইন পিডিএফ সাইজ ১৩ এমবি।

‘প্রিয়তমেষু’ বইটি একটি সমকালীন উপন্যাস। বইটি ধর্ষণ, ধর্ষণের বিচার ও ন্যায় বিচার এইসব নিয়ে রচিত হয়েছে। এই কারণে এটি একটি জনপ্রিয় উপন্যাস। চমৎকার এই বইটি পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। বইপ্রেমী পাঠক যারা বইটি এখনো পড়েননি তারা তাড়াতাড়ি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বইটি পড়ে নিন।

প্রিয়তমেষু উপন্যাসের মূল কাহিনী

বাংলা সাহিত্যর এক অনবদ্য লেখক হলেন হুমায়ুন আহমেদ। এই উপন্যাসে হুমায়ুন আহমেদ দেখিয়েছেন কীভাবে পিছিয়ে পড়া নারীরা সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজেদের অধিকার আদায় করতে প্রস্তুত। বইটি লিখিত হয়েছে ধর্ষণ, ধর্ষণের বিরুদ্ধে লড়াই, ও ন্যায় বিচার পাওয়ার লড়াই সব মিলে বইটি রচিত হয়েছে। সাধারণত দুই নারীর সংগ্রামের গল্প লিখিত হয়েছে বইটিতে। উপন্যাসের দুটি কেন্দ্রীয় চরিত্র হল নিশাত ও পুষ্প। নিশাত হল একজন শিক্ষিতা, সুন্দরি ও রুচিশীল মেয়ে। নিশাত ও তার স্বামী জহির একসাথে থাকে। নিশাতের স্বামী জহির একটা ভালো জায়গায় উচ্চ পদে চাকরি করে।

এদিকে পুষ্প হল একজন সাধারণ, সহজ সরল কমবয়সী মেয়ে। সে তার স্বামী রাকিবের সাথে বসবাস করে। তাদের একটি কমবয়সী ছোট ছেলে আছে। পুষ্পের স্বামী একটা ছোট খাটো চাকরী করে। নিশাত আর পুষ্পরা পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকে। একদিন পুষ্পের ছেলে হঠাৎ করে নিশাতের ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়ে। বাচ্চাটাকে নিতে পুষ্প তখন আসে নিশাতের ফ্ল্যাটে। আর তখন থেকেই নিশাতের সাথে পুষ্পের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে বোনের মতো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা একে অপরের জন্য অনেক অনেক কিছু করে।

এই উপন্যাসটি একটি সমাজিক ও সমসাময়িক বিষয়বস্তু নিয়ে লিখা হয়েছে। পুষ্পের জীবনের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত হয়েছে গল্পটি। পুষ্পর স্বামী রাকিবের একজন বড়োলোক বন্ধু রয়েছে মিজান। সে প্রায়ই তাদের ফ্ল্যাটে আসে। পুষ্প তাকে মোটেই পছন্দ করেনা। পুষ্প তার স্বামীকে নিষেধ করে তাকে নিয়ে আসতে। কিন্তু একদিন রাকিব বাসায় না থাকা সত্বেও মিজান তাদের বাসায় চলে আসে। মিজান এসে পুষ্পকে জোর করে ধর্ষণ করে। রাকিব বাসায় আসার পর ঘটনাটা জানায় পুষ্প। কিন্তু মিজান বড়লোক আর তার ক্ষমতা বেশি। সেই ভয়ে রাকিব থানায় মামলা করে না। কারণ তারা মিজানের ক্ষমতার কাছে হেরে যাবে।

এই ঘটনার পর পুষ্প সবকিছু নিশাতকে জানায়। নিশাত তাকে ভেঙে পড়তে নিষেধ করে। তখন তারা দুজনে মিলে উদ্যত হয় অপরাধী্কে শাস্তি দিতে। এই ঘটনায় নিশাতের বাবা আর তার স্বামী তাকে নিষেধ করে এসব করতে। কিন্তু তারা দুজন মিলে কারো কথা না শুনে তাকে শাস্তি দিতে চায়। তাদেরকে সহযোগীতা করে একজন পুলিশ অফিসার। সেই পুলিশ অফিসার প্রমাণ করে দেয় যে সব পুরুষরা এক রকম হয়না। সমাজের বাধা উপেক্ষা করে তারা কি অপরাধীকে শাস্তি দিতে পারে। জানতে হলে পড়তে হবে প্রিয়তমেষু উপন্যাসটি।

প্রিয়তমেষু PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.