থ্রিলার

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি PDF Download নাজিম উদ্দিন

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের রবীন্দ্রনাথ সিরিজের দ্বিতীয় বই। আমরা ইতোমধ্যে রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি সম্পর্কে জেনেছি। তা থেকে প্রচুর আগ্রহ জন্মেছিল দ্বিতীয় বইটির প্রতি। যারা এখনো রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি বইটি পড়েননি তারা আমাদের ওয়েবসাইটটি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করে নিন। আর পড়ে নিতে পারেন।

এই বইটি পড়ে খুব সহজেই ঘুরে আসতে পারেন মুসকান যুবেরির প্রহেলিকাময় জগতে। তো যারা রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি বইটি ডাউনলোড করতে চান, তারা আমাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে ডাউনলোড করে নিন।

নাজিম উদ্দিন এর সকল বই পিডিএফ ডাউনলোড

বর্তমান সময়ের থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিমুদ্দীন খুবই ভালো লেখেন। তার লেখার গতি আমাকে চমকৃত করেছেন। তাই যারা নাজিম উদ্দিন এর সকল বই পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে চান, তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। আজকে আমরা রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি বইটি সম্পর্কে আলোচনা করব। এই বইয়ের পৃষ্ঠাসংখ্যা ৪৩২। এটি বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি পিডিএফ ডাউনলোড

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি প্রথমে আমরা দেখেছিলাম মুসকান যুবতীর পালিয়ে যাওয়া। মুসলিম জুবেরী বাংলাদেশের সুন্দরপুর থেকে কোথায় পালিয়ে গেল সে সম্পর্কে আমরা জানছিলাম না। পরবর্তীতে যখন রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেননি বইটি শুরু করা হয় তখন ডিবি অফিসার নূরে ছফা মুসকান জুবেরি ঢাকার রমনার বটমূলে দেখতে পান।

এনএসআইয়ের বড় কর্মকর্তা আশেক মাহমুদ নুরে ছফাকে তার ভাগ্নির হত্যাকারীর ধরার জন্য তাগাদা দিতে থাকে। নুরে সফা আবার কাজে লেগে পরে। সে আবার সুন্দরপুরে যায়। সেখান থেকে পুরনো জমিদার বাড়িতে গিয়ে দেখে পুরনো জমিদার বাড়ি একটি স্কুলে পরিণত হয়েছে।

সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রমাকান্তকামার। রমাকান্তকামার ডিবির অফিসারকে পাত্তা দেয় না। ডিবি অফিসার স্কুলের প্রধান শিক্ষক কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে তা জানার জন্য তার ঘরে চোর পাঠিয়ে তার মোবাইল ফোন চুরি করায়। সেখান থেকে একটি চিঠি উদ্ধার করতে পারে।

এই চিঠির রেশ ধরে ডিবি অফিসার পৌঁছাই ডাক্তার আশকার ইবনে সাঈদ এর কাছে। সেখানে তাকে জেরার মুখে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে। ডাক্তার আশকার ইবনে সাঈদ চাপের মুখে পড়ে কিছু কথা স্বীকার করে। আর ডিবি অফিসার নুরে ছফাকে আরো গোলক ধাঁধার মধ্যে ফেলে দেয়। নুরে ছফা যে উকিলের মাধ্যমে জমিদার বাড়ির সম্পত্তি হস্তান্তর হয়েছিল তার কাছ থেকে অনেক তথ্য জানতে পারে।

পরবর্তীতে নুরে ছফা আশেক মাহমুদ এর সহায়তায় ভারতের পৌঁছাই। কারণ ডাক্তার আশকার ইবনে সাঈদ এর ভাষায় একটি ভারতীয় পাসপোর্ট পাওয়া যায়। যাতে বোঝা যায় ডাক্তার আশকার ইবনে সাঈদ ভারতে যাতায়াত আছে। ভারতের কলকাতায় গিয়ে মরে বন্ধুর মধ্য দিয়ে মুসকান জুবেরী সম্পর্কে আরও তথ্য বেরিয়ে আসে।

কলকাতায় মুসকান জুবেরী একজন প্লাস্টিক সার্জনকে হত্যা করে। আর যে বাড়িতে থাকছিল সেই বাড়ির মেয়ে তার বন্ধুকে হত্যা করে। সে বাড়ির মেয়ে সুস্মিতা যিনি ডাক্তার আশকার ইবনে সাঈদ এর মেয়ে। কিন্তু নুরে ছফা ভুলবশত সুস্মিতাকে মুসকান জুবেরী ভাবতে থাকে। মনে করে যে সেই প্লাস্টিক সার্জন এর মধ্য দিয়ে সে তার চেহারা পাল্টেছে। সে আশেক মাহমুদকে এই তথ্য জানায়।

আশেক মাহমুদ ক্ষমতাবলে সুস্মিতাকে ঢাকা থেকে কিডন্যাপ করে। কিডন্যাপ এর পর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালায়। সুস্মিতার উপর তাকে দিয়ে স্বীকার করাতে বাধ্য হয় যে সে মুসকান জুবেরী। কিন্তু এদিকে মুসকান জুবেরী নুরে ছফার সিনিয়র কে এস খানকে জিম্মি করে সুস্মিতাকে রক্ষা করে।

পরবর্তীতে মুসকান জুবেরী আশিক মাহমুদ এর বোন কেউ জিম্মি করে। যেন সুস্মিতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিভিন্নভাবে সুস্মিতা ছাড়া পায় এবং মুসকান জুবের এর সঙ্গে একত্রিত হয়। সুস্মিতা রাস্তার ভেতরেই যে আসলাম খান সুস্মিতাকে অত্যাচার করেছিল তাকে হত্যা করে। নুরে সফা মুসকান জুবেরী এবং সুস্মিতাকে ধরার জন্য তাদের পিছু লাগে।

কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হয়। বইয়ের দ্বিতীয় খন্ড মুনাফা মুসকান জুবের এর কোন নাগাল পায় না। এভাবেই বইটি শেষ হয়ে যায়। এই নাগাল পাবে কিনা তা জানতে পারবো আমরা বইটির এ তৃতীয় খন্ডে।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *