উপন্যাস

সপ্তশ PDF Download সালেহ তিয়াস

“সপ্তশ”বাংলাদেশের আরেকজন জনপ্রিয় লেখক সালেহ তিয়াস এর এক অসাধারণ উপন্যাস। সালেহ তিয়াস এমন ভাবে তার উপন্যাসগুলো লিখেন যেখানে পাঠকরা পড়তে গিয়ে মুগ্ধ হয়ে যান। তাঁর উপন্যাসে তিনি সবসময় সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করেন। তাঁর উপন্যাসে প্লট গুলোকে অনেক অভিনব ভাবে উপস্থাপন করে সবার সামনে। এখন পর্যন্ত যারা “সপ্তশ” বইটির হার্ডকপি সংগ্রহ করতে পারেননি,তারা আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে খুব সহজ উপায় ও বিনা মূল্যে বইটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

“সপ্তশ”সালেহ তিয়াস এর একটি জনপ্রিয় থ্রিলার অ্যাডভেঞ্চার মূলক উপন্যাস। বইটির প্রথম প্রকাশিত হয় 2015 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। আবারও দ্বিতীয়বারের মতো বইটি প্রকাশিত হয় 2016 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 144 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 91 টাকা।

প্রধান চরিত্র: মোতালেব, মনির,সায়েম, সাদিয়া ও আরিফ।

কাহিনী সংক্ষেপ

গল্পের প্রধান চরিত্র সাদিয়া তার একমাত্র ছেলে সায়েমকে নিয়ে খুব কষ্টে দিনযাপন করত। সায়েম একজন থ্যালাসেমিয়ার রোগী। সাদিয়ার বর আরিফ একজন প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর। আরিফ তার ছেলেকে পছন্দ করতেন না। সে অনেকবার তার ছেলেকে মারতেও চেষ্টা করেছিল।সাদিয়া তার ছেলেকে অনেক ভালোবাসে।

তাই সে ছেলের জীবন বাঁচাতে ছেলেকে নিয়ে তার বরের কাছ থেকে চলে আসে। সাদিয়া একটি স্কুলে শিক্ষকতার কাজ করে। সাদিয়া একা থাকার কারণে অনেক লোক তার দিকে কুনজরে থাকায় এবং অনেক বাজে বাজে কথা বলে। যেটা সায়েম একদম পছন্দ করত না। সাইমের স্কুলে সবাই তার মা-বাবাকে নিয়ে অনেক কথা বলে। সায়েম কিছুই বলতে পারেনা, এজন্য সে অনেক কষ্ট অনুভব করে।

সেলিম নামে একজন সাদিয়াকে খুব বিরক্ত করত। স্কুলের শিক্ষক মনির নামের একজন সাদিয়াকে বিয়ে করতে চেয়েছিল কিন্তু সাদিয়া রাজি হননি। এই সমাজে নারীরা যে অনেক অবহেলিত সেটা এই গল্প পড়ে বোঝা যায়।

একদিন হঠাৎ করেই শহরের কমপক্ষে 25 জনের বাড়িতে একসাথে এসি নষ্ট হয়ে যায়। তারপর একে একে ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ এই সব ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র গুলো নষ্ট হয়ে যায়। মেকাররা অনেক চেষ্টা করার পরেও জিনিসগুলো সারাতে পারে নি। হঠাৎ করে কেন এমন করে সবার একই ধরনের জিনিস নষ্ট হবে তার কারণ কেউ বুঝতে পারছিল না।

মোতালেব একজন ছাপোষা টাইপিস্ট। সে মাঝে মাঝে মানুষকে নিয়ে অনেক এক্সপেরিমেন্ট করে। মোতালেব তার দোকানের সাত্তারকে লটারির লোভ দেখিয়ে ডাস্টবিন পর্যন্ত ঘাটিয়ে নেন। লোকটি ভীষণ চালাক এবং লোভী।

নাহিদ নামের একজন বন্ধু তার নষ্ট হয়ে যাওয়া এসির রহস্য উদঘাটন করতে প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর আরিফের কাছে আসে। একটা সময় আরিফ তার স্ত্রীর কাছে ফিরে যায়। কিন্তু এখনো সে তার ছেলেকে পুরোপুরি মেনে নিতে পারেনি।

আরিফ ওই কেস্টার রহস্য উদ্ঘাটন করতে করতে একটি ওয়েবসাইট খুঁজে পান। যে ওয়েবসাইট দিয়ে ধনী পরিবারের সব বাচ্চাদের দিয়ে অদ্ভুত কাজকর্ম করানো হয়। আরিফ জানতে পারে ওই বাচ্চাদের দিয়ে একটা খুন করানো হবে। পরবর্তীতে এই কেসে আরিফ তার ছেলেকে ব্যবহার করে।

আরিফ এই খুনটা আটকাতে গিয়ে অনেক অজানা রহস্যের উদ্ঘাটন করে। কেইবা এই ওয়েবসাইটের মালিক? খুনটা আটকাতে আরিফ কার বাসায় এসেছে? খুনি কে? এইসব প্রশ্ন পাঠকদের আটকে রাখবে বইয়ের শেষ পাতা পর্যন্ত। আমার কাছে বইটি অসাধারণ লেগেছে। বইটিতে অনেক টুইস্ট আছে। যেটা পাঠকদের মনোনিবেশ বাড়িয়ে দেবে। তাই দেরি না করে বইটি পড়ে ফেলুন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.