উপন্যাস

তিন পুরুষ PDF Download হুমায়ূন আহমেদ

বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক হলেন হুমায়ুন আহমেদ। তিনি রচনা করেছেন ‘ তিন পুরুষ ‘ নামের অসাধারণ একটি বই। তিন পুরুষ বইটি রচিত হয়েছে মোট তিনটি গল্পের সমন্বয়ে। এই বইয়ের প্রতিটি গল্পই অসাধারণ জনপ্রিয় গল্প। এই বইটি রচিত হয়েছে ১৯৬২ সালে। বইটির ৭ম তম সংস্করণ হয়েছে ২০১৫ সালে। বইটি প্রকাশ করেছে অনন্যা পাবলিকেশন্স। বইটি হার্ডকাভারে ছাপা হয়েছে। বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৪০ টি। বইটির বাংলাদেশী মুদ্রিত মূল্যঃ ৩০০ টাকা। বইটির অনলাইন পিডিএফ সাইজঃ০৭ এমবি।

হুমায়ুন আহমেদের প্রতিটি রচিত বই হল অসাধারণ বই। তার এই ‘ তিন পুরুষ ‘ বইটি একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংকলন। বইটিতে মোট তিনটি গল্প রয়েছে সেগুলো হল- দেবী, ময়ূরাক্ষী, দারুচিনি দ্বীপ। প্রতিটি গল্প পড়লেই পাঠকরা অনেক অনেক আনন্দিত হবেন। পাঠকরা বইটি পড়তে চাইলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ফ্রী পিডিএফ ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন। পাঠকরা যারা বইটি এখনো পড়েনি তারা তাড়াতাড়ি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে আজই বইটি পড়ে নিন।

তিন পুরুষ উপন্যাসের মূল কাহিনী

হুমায়ুন আহমেদ তিনটি গল্পের সংকলন নিয়ে ‘ তিন পুরুষ ‘ বইটি রচনা করেছেন। এই বইটিতে তিনটি গল্প হল- দেবী, ময়ূরাক্ষী, দারুচিনি দ্বীপ রয়েছে। পরবর্তীতে এই উপন্যাস গুলো এককভাবে প্রকাশিত হয়েছে। প্রথমে হুমায়ুন আহমেদ ‘ তিন পুরুষ ‘ বইয়ের মাধ্যমে তিনটি গল্প প্রকাশ করেন। তিনটি গল্পের কাহিনী অত্যন্ত জনপ্রিয় যা পাঠকরা পড়লেই বুঝতে পারবেন।

দেবী- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হল মিসির আলি আর রানু। রানু হল এই গল্পের নায়িকা। রানু মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করে। রানুর স্বামী এই বিষয়টা জানে জন্যই তাকে প্রতিবারই আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে যে কিছুই হয়নি। রানু ভবিষ্যতের কথা আগে থেকেই বলতে পারে। একদিন পাশের ফ্ল্যাটের নীলু বেড়াতে এসে তার এই অস্বাভাবিকতার বিষয়টা লক্ষ্য করে।

সে মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী হওয়ায় তার বিষয়টা নিয়ে তার স্যার মিসির আলীর সাথে যোগাযোগ করেন। বিষয়টা নিয়ে মিসির আলি রানুর গ্রামি যায় রহস্য উদঘাটন করতে। সেখানে গিয়ে জানতে পারে নদীতে গোসলের সময় একটা ঘটনার জন্য রানু এমন আচরণ করে। তারপর কাহিনি এগিয়ে যায়। মিসির আলী রহস্য উদঘাটন করলেও সবটা পারেন না। যা তিনি প্রকৃতির কিছু নুয়ম থাকে এটাই বলেন।

ময়ূরাক্ষী উপন্যাসের মূল চরিত্র হল হিমু। হিমু স্বপনে একদিন ময়ূরাক্ষী নদীকে দেখে। সেই নদীর কাজল কালো পানি দেখলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। সেখানে একটি গাছের ডাল পানিতে মিশে আছে। সেই গাছের ডালে বসে মনের সুখে একটা ঘুঘু ডাকছে। সেই নদীর পাড়ে সে রুপাকে বসে থাকতে দেখে। নীল শাড়ি পড়ে রুপা বসে আছে সেখানে। এইসব কিছু সে স্বপনে দেখে। এইভাবে আরো কাহিনি নিয়ে ময়ূরাক্ষী উপন্যাসটি শেষ হয়।

দারুচিনি দ্বীপ উপন্যাসটি শুভ্রকে নিয়ে লেখা একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। এই উপন্যাসের কয়েকজন বন্ধুরা মিলে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার উদ্যেগ নেয়। পুরো উপন্যাস জুড়েি শুধু তাদের যাওয়ার প্রস্তুতি দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত তারা যেতে পারে না। কিন্তু তারা যাওয়ার জন্য ট্রেনে ওঠে এইখানেই উপন্যাসটি শেষ হয়। পরবর্তীতে রুপালি যাত্রা নামক বইয়ে তাদের ভ্রমণ সফল হয় সেটা দেখানো হয়৷

তিন পুরুষ PDF

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *