অনুপ্রেরণা মূলক

ভাঙো দুর্দশার চক্র PDF Download আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

ভাঙো দুর্দশার চক্র বইটি লিখেছেন বাংলাদেশ এর বরেণ্য লেখক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি বিশ্ব সাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা। তার এই চমৎকার বইটিতে আপনারা খুঁজে পাবেন আশা, কোন কাজের উদ্দীপনা। যে সকল পাঠক ভাঙো দুর্দশার চক্র ডাউনলোড করতে চান তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আমাদের ওয়েবসাইটে ভাঙো দুর্দশার চক্র বইটির পিডিএফ ফাইল দেওয়া আছে। বইটি ডাউনলোড করতে আপনারা আমাদের ওয়েবসাইটে নিচে গিয়ে দেখুন। বইটি সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ- বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৬টি। বইটির মুদ্রিত মূল্য ২০০ টাকা। আপনারা যে কোন অনলাইন শপ বা নিকটস্থ লাইব্রেরী থেকে বইটি খুব সহজেই ক্রয় করতে পারবেন।

যারা পিডিএফ ফাইল আকারে পড়তে চান তারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে খুব সহজেই ডাউনলোড করে নিন। বইটির প্রকাশনী হিসেবে কাজ করেছেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। ভাঙো দুর্দশার চক্র বইটিতে লেখক এর মূলত বক্তব্যগুলো লিখিত আকারে রূপ দেয়া হয়েছে।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ যে সকল স্থানে বক্তৃতা প্রদান করেছেন সেগুলো কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন দায়িত্বরত ব্যক্তিরা রেকর্ড করে নেন। পরবর্তীতে এর রেকর্ড নিয়ে হাজির হন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের কাছে। লেখক তার বক্তব্যের পরিমার্জিত রুপ দান করেছেন এবং লেখার স্বার্থে কিছু কিছু বিষয় সংযোজন করেছেন।

তৃপ্তির জন্য দাও, ভালোবাসার জন্য দাও ঃ- এই অধ্যায়টিতে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছেন যে পৃথিবীতে সকল সুখের মূল উৎস হল অন্যকে কোন কিছু প্রদান করা। “বাধন” এর কাজগুলো হচ্ছে রক্তদান কর্মসূচি। তিনি একটি অনুষ্ঠানে লক্ষ্য করেছেন যে কোন কোন ব্যক্তি ২৫ বার পর্যন্ত রক্ত প্রদান করেছেন।

এ দেখে অনেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং মত প্রকাশ করেছেন তারাও তার উর্ধে রক্ত প্রদান করবে। আসলে তারা যে ত্যাগ করছে এই ত্যাগের মধ্যেই তারা তাদের সকল সুখ অন্তর্নিহিত। তবে এক্ষেত্রে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ উল্লেখ করেছেন যে কোন ধরনের প্রতিযোগিতা না করে সেটা প্রদান করতে হবে তৃপ্তির জন্য, অন্যকে ভালোবেসে।

কোনো কিছু প্রদান করতে হবে লোক দেখানো বা পরিমাণ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে নয়। কোন কিছু প্রদান করলে সেটা এক ধরনের ব্যবসা ধরনের কাজের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাই তিনি বারবার যোগ দিয়েছেন যে কোন কিছু করতে হলে অবশ্যই তৃপ্তির মাধ্যম দিয়ে করতে হবে এবং সেই কাজটি কে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে করতে হবে।

চলো জাগরণের দিকে অধ্যায়টিতে তিনি গুরুজি নামক এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি গুরুজীর বিভিন্ন গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। গুরুজি বৃদ্ধ বয়সেও যে ধরনের শরীর চর্চা করেন তাতে তার মধ্যে কোন ধরনের আলস্য, অকর্মন্যতা প্রকাশ পায় না। শেষ বয়সে তার মধ্যে কর্মচঞ্চলতা লক্ষ্য করা যায়।

তিনি গুরুজীর কাছে সেই শিক্ষা গ্রহণ করে আজীবন নিজের জীবনকে পরিচালিত করেছেন। আর তা করার মাধ্যমে তার পরেও যখন তার কাজে এগিয়ে আসে তখন তিনি বিশ্রাম নিতে চান। তাই তিনি বাংলাদেশের যেসকল হতাশাগ্রস্ত মানুষজন আছে তাদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন যে সবসময় কাজের মধ্যে সক্রিয়তা আনতে।

সক্রিয়তার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের কাজের চাপ বা হতাশা দূর হয় এবং মানসিক যে ধরনের অশান্তি রয়েছে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। নেতিবাচকতা একটা মায়া, একটা বিভ্রম, একটা মরীচিকা নামক অধ্যায়ে তিনি নেতিবাচকতার স্বরূপকে তুলে ধরেছেন। আসলে কোন কাজেই যদি নেতিবাচকতা স্থান করে নেয় তাহলে সেই কাজে সফলতা আসে না।

যেকোনো ধরনের কাজ সেটা ক্ষুদ্র হোক বা বৃহৎ আকারের হোক, সেই কাজের দিকে অবশ্যই আমাদের ইতিবাচকতা টানতে হবে। নেতিবাচকতার মাধ্যমে প্রত্যেকটি কাজের গতি কমে যায়। ফলে সে কাজে সফল হওয়া দুরূহ বিষয় হয়ে ওঠে। তাই তিনি সকলকে জানিয়েছেন যে যেকোনো ধরনের কাজই হোক না কেন সে কাজে অবশ্যই আমাদের মতামতকে ইতিবাচকতার মাধ্যমে পরিচালিত করতে হবে।

তিনি বিভিন্ন উদাহরণ প্রয়োগ করেছেন এই অধ্যায়টিতে। যেমন বিদেশের লোকেরা যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে ইতিবাচকতা প্রকাশ করেন। ইতিবাচকতার মাধ্যমে কঠিন কাজ সহজ হয়ে যায় এবং উপভোগ্য হয়। বর্তমান সময়ে যে সকল যুবক-যুবতী হতাশাগ্রস্ত, কাজে অনীহা প্রকাশ করে কিন্তু জীবনে সফলতা চাই তাদের জন্য এটি একটি দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে কাজ করবে।

তাই বইটি পঠন এবং পাঠের মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই উন্নতির ধাপগুলো বুঝতে পারবেন। জীবনকে পরিচালিত করতে পারবেন খুব সহজ ভাবেই। তাই বইটি এখনই ডাউনলোড করে নিন।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.