উপন্যাস

মরিবার হলো তার সাধ PDF Download সুস্ময় সুমন

সমসাময়িক সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে সুস্ময় সুমন পরিচিত নাম। তার লেখা সবগুলো উপন্যাসই অনেক জনপ্রিয় বই প্রেমীদের কাছে। তার আকর্ষণীয় বিষয়বস্তু ও সুন্দর প্লট নির্বাচনের মাধ্যমেই সবার কাছে অধিক পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার রচিত এক একটি উপন্যাস একেক রকমের বিষয়বস্তু বহন করেছে। তেমনই এক জনপ্রিয় উপন্যাস হলো “মারিবার হলো তার সাধ।”এই উপন্যাসটি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই পাঠকদের মন জয় করে নিয়েছেন।

“মারিবার হলো তার সাধ” সুস্ময় সুমন এর এটি একটি বিখ্যাত থ্রিলার উপন্যাস। বইটি প্রথম প্রকাশ করে বাতিঘর প্রকাশনী। বইটির প্রথম প্রকাশ কাল হলো 2019 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। বইটি হার্ডকভার এ ছাপা হয়েছে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ডিলান। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা রাখা রয়েছে 190 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মুদ্রিত মূল্য হল 157 টাকা। অসাধারণ এই বইটি হার্ডকপি যারা এখনো সংগ্রহ করতে পারেননি তারা আর দেরি না করে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করে বিনামূল্যে বইটি ডাউনলোড করে পড়ে ফেলুন।

কাহিনী সংক্ষেপ

লেখক সুস্ময় সুমন এর বই যারা আগে পড়েছেন তাদেরকে আমি বলব এই বইটি যদি না পড়ে থাকেন তাহলে আর দেরি না করে পড়ে ফেলুন না হলে অনেক কিছুই অজানা থেকে যাবে। তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে সমাজকে বাঁচাতে কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে থাকেন। সবগুলো জনপ্রিয় থ্রিলার এর মধ্যে এটি অন্যতম থ্রিলার উপন্যাস।

আমি এখানে উপন্যাসের সামান্য কিছু অংশ তুলে ধরব। আপনাদের পুরোটা জানতে হলে অবশ্যই বইটা পড়তে হবে।

ঢাকার বুকে বুক উঁচিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার। যে কিনা একের পরে এক খুন করে যাচ্ছে কিন্তু কেউ তার কোন ক্ষতি করতে পারছেনা। সেই ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলারের একমাত্র টার্গেট ছিল সুন্দরী তরুণীরা। সেই কিলার প্রথমে সুন্দরী তরুণীদের জোর করে অপহরণ করে নিয়ে আসতো। তারপর কিছুদিন আটকে রাখার পরে ধর্ষণ করে হত্যা করে ফেলত।

তার হত্যার দৃশ্যটা ছিল খুবই বীভৎস এবং নারকীয়। তার হত্যাকাণ্ডগুলো এতটাই বীভৎস জনক ছিল যেটা চোখের সামনে দেখা অসম্ভব। তিনি কখনো মৃত দেহকে করাতের মতো ধারালো অস্ত্র দিয়ে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলত আবার কোনটাকে শ্বাস বন্ধ করে বা শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলত।

তবে তিনি সবগুলো ভয়ঙ্কর খুনের আগেই মেয়েগুলোকে আরো অনেক কষ্ট দিয়েছে। কারণ সবগুলো মেয়েকে হত্যা করার আগে ধর্ষণ করেছে। এতগুলো খারাপ কাজ করার পরেও কেউ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। কারন সবার চিন্তা একটাই যে সবার ঘরে বোন আছে, কখন কার ক্ষতি হয়ে যায় কেউ জানে না।

এইসব তদন্তের খোঁজ করতে নিয়োগ করা হয় হোমিসাইড ডিপার্টমেন্টের অফিসার অমিয় সূত্রধর কে। তিনি এ কেস টা সম্পর্কে জানার পরে কোন সূত্রই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অমিয় সূত্রধর খুব ভালো করেই জানেন এই কেসের মীমাংসা করাটা বেশ কঠিন। রীতিমতো অফিসার হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিল।

অফিসার অমিয় সূত্রধর এই কেসের কোন কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অফিসার ভাবছিলেন খুনি কতটা শক্তিশালী যে এতগুলো পাপ কাজের পরেও তার সাজা হয়নি। অফিসার ভাবছিলেন একেতো সিরিয়াল কিলার তারপর আবার একের পর এক খুন। তিনি এই কিসের তদন্ত করতে করতে বেশ বেকায়দায় পড়ে যান। তারপর একদিন হঠাৎ করেই একের পর এক লাশ পাওয়া যেতে থাকে।

আমি এখানে গল্পের সামান্য কিছু তুলে ধরেছি। এই গল্পটি মূলত অসুস্থ মানসিকতার কিছু মানুষ একত্রিত হয়ে যে গল্প তৈরি হয় তাদেরকে নিয়ে রচিত। শেষ পর্যন্ত কি অন্ধকারের জগতে আলোর সূচনা হবে? নাকি খুনি রয়ে যাবে হাতের নাগালের বাইরে? খুনির উদ্দেশ্য টাই বা কি ছিল? শেষ পর্যন্ত জানতে হলে বইটি অবশ্যই শেষ করতে হবে।

এককথায় বইটি হলো সুপাঠ্য একটি উপন্যাস। প্রতিটা লাইনে লেখক টানটান উত্তেজনাকর বিভিন্ন জিনিস ব্যবহার করেছেন। তাই বলবো দেরি না করে বইটি ঝটপট পড়ে ফেলুন। আশা করি হতাশ হবেন না।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.