থ্রিলার

মৃগতৃষা PDF Download কিশোর পাশা ইমন

বাংলাদেশের একজন নামকরা থ্রিলার লেখক হলেন কিশোর পাশা ইমন। তাঁর রচিত সবগুলো থ্রিলার উপন্যাস বেশ সমাদৃত পাঠকদের কাছে। তেমনই এক বিখ্যাত থ্রিলার হল “মৃগতৃষা”। কিশোর পাশা ইমনের মৌলিক থ্রিলার গুলো ছিল বেশি নাম করেছে পাঠকদের কাছে। এই উপন্যাসটি এর সবথেকে আকর্ষনীয় বিষয় হল এ্যাকশন। কাহিনীর সাথে মিস্ট্রির টুইস্টপাওয়া যায় এই উপন্যাসে। সুন্দর ও সাবলীল ভাষা এবং সঠিক প্লট নির্বাচনের জন্য বইটি খুব সহজেই পাঠকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

“মৃগতৃষা” কিশোর পাশা ইমনের এক ধরনের থ্রিলার উপন্যাস। এই উপন্যাসটিকে আবার ক্রাইম মিস্ট্রি থ্রিলারো বলা যায়। উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় 2017 সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন নিউটন। বইটি প্রকাশ করেছে বাতিঘর প্রকাশনী। বইটিতে মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা রয়েছে 367 টি। বর্তমান বাজারে বইটির মূল্য হল 245 টাকা।

কাহিনী সংক্ষেপ

মৃগতৃষা শব্দের অর্থ হলো মরীচিকা বা ইল্যুশন। উপন্যাসটির নাম কাহিনীর সাথে একদম মিলে যায়। আপনি বইটি পড়তে লাগলে বুঝতে পারবেন পুরো বই জুড়ে শুধু ইল্যুশন। বইটির চরিত্রগুলো ও বিষয়বস্তু অনেক সাসপেন্সিব। অসাধারণ এই বইটি এর হার্ডকপি যারা এখনো সংগ্রহ করতে পারেন নাই তারা খুব সহজেই আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বিনামূল্যে বইটি ডাউনলোড পড়তে পারবেন।

প্রায় এক যুগ পরে ঢাকা শহরের আবার নতুন করে ফিরে এসেছে কুখ্যাত গডফাদার আলমাস। গডফাদার আলমাস একজন মাফিয়া সরদার। হঠাৎ করেই আগমন ঘটেছিল এই গডফাদারের। আবার হঠাৎ করেই কোথাও হারিয়ে গিয়েছিল এই মাফিয়া। সবাই ভেবেছিল হয়তো তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। কিন্তু সবাই বলে বেড়াচ্ছে আলমাস নাকি আবার ফিরে এসেছে তার চিরচেনা রূপে।

ঢাকায় আবার নতুন করে চাঁদাবাজি শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে কেউ একজন প্রপোজাল দিয়েছে বিজনেস কোম্পানিদের কমিটির কাছে। প্রপোজালটা হলো খালিদ ভাই এর গ্রুপকে চাঁদা না দিয়ে আলমাস এর সাথে যেন তারা ঐক্য গঠন করে। সবাই এটা ভাল করে জানে আলমাস যদি ফিরে আসে তাহলে তার প্রপোজালটা না মানার ফল কি হতে পারে।

আলমাসের খুন করার ধরনটা একটু অন্যরকম ছিল। সে যাকে খুন করত তাকে ছাব্বিশটা টুকরো করে ফেলতো। আলমাস যে সত্যিই ফিরে এসেছে তার প্রমান কিছুদিন পরেই সবাই পেয়ে গেল। হঠাৎ করেই একজন দোকানদার খুন হয়ে গেল। যে মানুষটা কারো সাথে কোনদিন ঝামেলায় জড়ায়নি এবং অনেক শান্ত শিষ্ট থাকত। কে তাকে নৃশংসভাবে খুন করল?

ব্যবসায়ীকে খুন করার মাধ্যমেই শহরে আবার শুরু হয় চাঁদাবাজি। এই ঘৃণ্য কাজ এর সাথে জড়িয়ে পড়ে এক মেধাবী ছাত্র তাহের। ছেলেটা হঠাৎ করেই কেমন যেন রহস্যময় ভাবে পাল্টে যেতে থাকলো। তাহেরের বান্ধবী নিশি তার এই পরিবর্তনটা কে ধরতে পারল। আসলে নিশিকে দাবার গুটি বানানো হয়েছিল।তাকে ইচ্ছে করেই তাহেরের রূপটা তার সামনে তুলে ধরা হয়েছিল।

এইজন্য সহজ সরল মেয়েটিকেও তার জীবন বলি দিতে হয়েছিল। ধারণা করা হয় আলমাসের আমল শেষ হওয়ার সাথে সাথে আরেক ট্রেরর আলমাসের জায়গাটা দখল করে নেয়। উপন্যাসটি পড়ে বোঝা যায় আলমাস এর উদ্দেশ্য ছিল ওই টেররকে টেক্কা দেওয়া।

আসলে আলমাস কে? রক্তমাংসে গড়া কোন মানুষ? নাকি শুধুই ইল্যুশন? লেখক এখানে এমন কোনো স্পষ্ট ধারণা দেন নি সবকিছুই ধোঁয়াসাতেই রেখে দিয়েছেন। তাহের, নিশি এবং ওই ব্যবসায়ীকেই কে খুন করল? এর পিছনে কি অন্য কোন মাথা আছে? এই সবগুলো প্রশ্নই পাঠকদেরকে এগিয়ে নিয়ে যাবে উপন্যাসের শেষ পর্যন্ত। তাই আর দেরি না করে বইটি পড়ে ফেলুন। আশা করি ঠকবেন না।

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published.